সবাই সাবধান, এটিএম বুথে জাল নোটের ছড়াছড়ি!!!

প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আসসালামু ওয়ালাইকুম। আশা করি সকলে ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে হাজির হয়েছি। তাহলে আবার মূল কথায় আসি।

আমাদের চলমান জীবনে সমস্যার কোন শেষ নেই, দিন কে দিন সমস্যার পরিমান বাড়ছে বৈ কি কমছে না। তেমনি এক নতুন সমস্যা হল ATM বুথে জাল টাকা। সম্প্রতি এমন অনেক গুলো ঘটনা ঘটলেও তার কোন সুরাহা হয় নি।

সম্প্রতি আমারই এক ক্লাস মেট ডাচ বাংলার এটিএম বুথ থেকে ২ হাজার টাকা তোলে কিন্তু তার মধ্যে ৫০০ টাকার একটি জাল নোট পায়। সাথে সাথে নিকটস্থ শাখায় যোগাযোগ করলে ব্যাংকের ম্যানেজার বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং তিনি জানান তাদের বুথ গুলোতে জাল টাকা থাকার প্রশ্নেই আসেনা। তাহলে আমার প্রশ্ন এই জাল টাকা কি হাওয়ায় উড়ে এলো? শুধু ডাচ বাংলা ব্যাংক নয় অভিয়োগ আছে ব্র্যাক ব্যাংক সহ আরও বেশ কয়েকটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে।

এমন ঘটনা আরও ঘটেছে যা আমরা পত্র পত্রিকায় দেখেছি। এটিএম বুথ থেকে জাল টাকা পেয়েছেন এমন অনেকেই এ বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকে অভিযোগ করতে গেলে উল্টো জাল টাকার ব্যবসায়ী বলে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ভয়ও দেখানো হয়েছে। কাউকে কাউকে অপমান করে ব্যাংক থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

এখন কথা হল, এটিএম বুথে কোন ব্যাংক কর্মকর্তা থাকে না। তাই জাল নোট সনাক্ত হলে প্রতিকার পাওয়ার জন্য গ্রাহক কি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন সে ব্যপারে কোন সুনির্দিষ্ট নিদের্শনা ব্যাংক কতৃপক্ষ দেয় নি বা বাংলাদেশ ব্যাংক ও এ ব্যপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

জানা গেছে, জাল টাকার সিন্ডিকেট গুলো বিভিন্ন ব্যাংক গুলোকে জাল টাকা ছড়ানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে। ব্যাংকের এক শ্রেনীর অসাধু কর্মকর্তাও এ সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত বলে জানা যায়। তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা গুলো অদৃশ্য কারনে এ ব্যপারে নিরব ভুমিকা পালন করছে।

অতএব, সকলে সাবধান হবেন। আধুনিক ডিজিটাল ব্যাংকিং এর সুয়োগে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যাংক কর্মকর্তা আপনার হাতে ধরিয়ে দিবে জাল টাকা, তখন প্রমানের অভাবে আপনার কিছুই করার থাকবেনা, রাগে ক্ষোভে নিজের মাথার চুল ছিড়তে ইচ্ছে করবে কিন্তু কোন লাভ হবে না।

সকলে ভাল থাকবেন। সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজ বিদায় নিচ্ছি। আল্লাহ হাফেজ।

পূর্বে আমার ব্লগে http://projuktirtips.blogspot.com প্রকাশিত।