Quantcast
Ads by Techtunes - tAds

নিরাপদে থাকুক আপনার বাসা/বাড়ি কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

1 টিউমেন্টস 1,602 দেখা 1 প্রিয়

এটি একটি Sponsored টিউন। এই Sponsored টিউনটির নিবেদন করছে 'গ্যাজেটবাংলা ডট কম'
'Sponsored টিউন by Techtunes tAds | টেকটিউনস এ বিজ্ঞাপন দিতে ক্লিক করুন এখানে

সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশে যেমন জনসংখ্যা বেড়ে চলেছে তার সাথে সাথে নানানরকম অপরাধ। আর তাই সিকিউরিট ইকুইপমেন্ট এর উদ্ভাবন যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সিসি টিভি ক্যামেরা। আপনার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান, বাড়ি, দোকান, কারখানা, পার্কিং সহ যে কোনো যায়গা নিরাপদে রাখতে ব্যবহার করুন সিসি টিভি ক্যামেরা। নিরাপদ থাকুন আপনি নিজেও সাথে সাথে থাকুন টেনশন ফ্রী। বাজারে অনেক ধরনের ইকুইপমেন্ট পাওয়া যায় কিন্তু সিসি টিভি ক্যামেরার ক্ষেত্রে এটাকে খরচ না ভেবে বিনিয়োগ ভাবতে পারেন। তাই দেখে শুনে ভালো মানের ক্যামেরা এবং অনুসাংগিক জিনিসপত্র কেনাটাই হচ্ছে বুদ্ধিমানের কাজ। আমরা গ্যাজেটবাংলা ডট কম এর পক্ষ থেকে আজ সিসিটিভি বা সিকিউরিটি ক্যামেরার সম্পর্কে বেসিক কিছু বিষয় সম্পর্কে আলোকপাত করবো। পুরো লেখাটি পড়লে আপনার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ হবে যে কোন ক্যামেরা কি জন্য দরকার এবং আপনার জন্য কোনটি উপযোগী।

সিসিটিভি সিষ্টেম কি?

আমাদের দেশে সিসিটিভি ক্যামেরা সিষ্টেম এর ব্যবহার দশ-পনের বছর আগে শুরু হলেও পশ্চিমা দেশগুলোতে আরো বহু আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আগে সিসিটিভি ক্যামেরা সিষ্টেম তখন ছিল শুধু সাদা-কালো, এসব ক্যামেরায় অল্প আলোতেই পরিষ্কার ছবি দেখা যেত। কিন্তু পরবর্তিতে রঙ্গীন ক্যামেরা বাজারে আসলেও স্বচ্ছ ছবির জন্য প্রচুর আলোর প্রয়োজনীয়তার কারনে ব্যবহার সীমিত হয়ে পড়ে। বর্তমানে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে অনেক কম আলোতেই রঙ্গীন ক্যামেরায় পরিষ্কার ছবি দেখতে পাওয়া যায়। ফলে এখন আর সাদা-কালো সিসিটিভি ক্যামেরা বা সিষ্টেম উৎপাদন হচ্ছেনা। বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী কয়েক ধরনের রঙ্গীন সিসিটিভি মনিটরিং সিষ্টেম বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

  • ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডার (ষ্ট্যান্ড অ্যালোন এমবেডেড ডিভিআর)
  • নেটওয়ার্ক ভিডিও রেকর্ডার (আইপি এড্রেস সম্বলিত ষ্ট্যান্ড অ্যালোন এমবেডেড ডিভিআর)
  • পিসি এবং মোবাইল বেইজড সিসিটিভি মনিটরিং সিষ্টেম।

ব্যবহারের ভিন্নতার কারনে বর্তমানে রঙ্গীন সিসিটিভি ক্যামেরা বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে।

  • সাধারন ক্যামেরা
  • ডোম ক্যামেরা
  • হিডেন ক্যামেরা
  • স্পাই ক্যামেরা
  • স্পীড ডোম পিটিজেড ক্যামেরা
  • ডে-নাইট ক্যামেরা
  • জুম ক্যামেরা
  • ভেন্ডাল প্রুফ ক্যামেরা
  • আই পি ক্যামেরা ইত্যাদি

ডিভিআর/এনভিআর

কোন বড় ফ্যাক্টরী, দোকান বা স্থাপনার নিরাপত্তা বাড়াতে ব্যবহৃত হতে পারে এই ৮, ১৬, ৩২ বা ৬৪ চ্যানেলের ষ্ট্যান্ড অ্যালোন এমবেডেড ডিভিআর/এনভিআর। এসব সিষ্টেমে ৮-৬৪ টি ক্যামেরার ছবি একই পর্দায় একসাথে দেখা যায় আবার আলাদা আলাদা ভাবে হার্ডডিস্কেও রেকর্ড হয়। বিশেষ কোন প্রয়োজনীয় মুহুর্তের ছবি ডিভিডিতে রাইট করে ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষন করা যায়। এছাড়াও হাই স্পীড ইন্টারনেট সংযোগ এর মাধ্যমে বিশ্বের যেকোন জায়গা থেকে লগ ইন করে লাইভ সিসিটিভি মনিটরিং বা রেকর্ডিং করা যায়।

কিনতে ক্লিক করুন

 

পিসি/মোবাইল বেইজড সিসিটিভি মনিটরিং এবং রেকর্ডিং সিষ্টেম

যারা একটু কম খরচে সিসিটিভি মনিটরিং বা রেকর্ডিং সিষ্টেম চান তাদের জন্য পিসি/মোবাইল বেইজড সিসিটিভি মনিটরিং এবং রেকর্ডিং সিষ্টেমই ভাল। আইপি ক্যামেরা কিংবা ওয়াইফাও আইপি ক্যামেরার জন্য শুধুমাত্র সফটওয়ার দিয়েই মোবাইল বা পিসি তে সিসি টিভি সিষ্টেম বানিয়ে ফেলা যায়। ক্যামেরা গুলো সংযুক্ত প্রদত্ত সফটওয়ার ইনষ্টল করে চালু করলেই পেয়ে যাবেন কম খরচে সিসিটিভি মনিটরিং এবং রেকর্ডিং সিষ্টেম।

কিনতে ক্লিক করুন

 

সিসিটিভি ক্যামেরা কেনার ক্ষেত্রে যেসব বিষয় বিবেচনা করতে হবে

কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান আছে যা সিসিটিভি ক্যামেরা কেনার সময় বিবেচনা করতে হয়। এক বা একাধিক হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট আছে যা না জানলেই নয়।

সঠিক লেন্স নির্বাচন করাঃ

লেন্সের কাজ হচ্ছে সেন্সরের জন্য আলো সংগ্রহ করা। ব্যবহারকারী যা কিছু দেখে বা ডিভিআর এ যা কিছু রেকর্ড হয় সবই লেন্স মারফত হয়। কতটুকু দূরত্বে একটি গাড়ির নাম্বার প্লেট পরা যাবে ও কারও চেহারা চেনা যাবে যা লেন্স নির্ণয় করে কারন লেন্স ফোকাস নিয়ন্ত্রণ করে। অনেক ক্ষেত্রে হায়ার আউটপুট রেজোলিউশানের চেয়ে লেন্স বেশি কার্যকরী কারন আউটপুট সবসময় ইনপুট দ্বারা সীমাবদ্ধ এবং লেন্স হচ্ছে ইনপুট সিস্টেম। তাছাড়া বাজারে জুম লেন্সও পাওয়া যায়। কিছু কিছু সিসিটিভি ক্যামেরাতে ডিজিটাল জুম এবং বাকিগুলোতে অপটিক্যাল জুম আছে যা লেন্স দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ক্রেতার যথাসম্ভব অপটিক্যাল জুমকে ডিজিটাল জুমের উপর গুরুত্ব দেয়া উচিত। ডিজিটাল জুমের সমস্যা হচ্ছে এটি মূল ইমেজের সাথে কোনও তত্ত্ব যোগ করতে পারেনা। অপটিক্যাল জুম মূল ইমেজের সাথে নতুন তত্ত্ব যোগ করতে পারে কারন লাইট সেন্সরে পৌঁছানোর সাথে সাথে ইমেজ পরিবর্তিত হয়।

সঠিক সেন্সর নির্বাচন করাঃ 

সব ধরনের ডিজিটাল সেন্সর এক রকম হয়না। সিসিটিভি ক্যামেরার সেন্সরের স্পেসিফিকেশন যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ২টি জিনিস বিবেচনা করতে হয়, তা হল সেন্সর টাইপ ও সেন্সর সাইজ। বেশিভাগ সেন্সর হয় সিএমওএস নয় সিসিডি। সিএমওএসের কর্মক্ষমতা ও সংবেদনশীলতা দুটোই সিসিডি থেকে অপেক্ষাকৃত কম। যার ফলে এটি পরিষ্কার ইমেজ ধারন করতে পারেনা। তাই পরিচয় শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে সিএমওএস ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে সিএমওএসের সুবিধা হচ্ছে এর মূল্য সিসিডি থেকে কম। পরিষ্কার ইমেজ ধারনের জন্য সিএমওএস ভিত্তিক সেন্সরের অনেক বেশি সিগনাল প্রসেস করতে হয়। সেন্সরের সাইজ যত বড় হয় ততবেশি লাইট প্রসেস ও উন্নতমানের ইমেজ ধারন করতে পারে। বেশিভাগ সেন্সরের সাইজ ১/৪ ইঞ্চি বা ১/৩ ইঞ্চি হয়ে থাকে। ১/৪ ইঞ্চি দ্বারা ৩.২ বাই ২.৪৪ এমএম এবং ১/৩ ইঞ্চি দ্বারা ৪.৮ বাই ৩.৬ এমএম পরিমাপ করা যায়। বড় সেন্সর শুধু ব্যাপক লাইটই ধারন করেনা, ডিএসপিকে কাজ করার জন্য অতিরিক্ত তথ্য দেয় যা অপেক্ষাকৃত কম ক্ষমতাসম্পন্ন বাজেট ক্যামেরাগুলোর জন্য সহায়ক।

সঠিক আউটপুট রেজোলিউশান নির্বাচন করাঃ

সিসিটিভি ক্যামেরার একটি প্রচলিত স্পেসিফিকেশন হচ্ছে টিভি রেজোলিউশানের সমতল লাইনের সংখ্যা বা টিভিএল। এর রেঞ্জ ৭০০টিভিএল পর্যন্ত হয়ে থাকে। ৩৮০টিভিএল ও ৫৪০টিভিএলেরও বিভিন্ন ক্যামেরা পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা ৪২০টিভিএলকে সর্বনিম্ন হিসেবে ধরলেও সবক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়। আইটপুট নির্ভর করে ইনপুটের উপর। তাই লেন্স এবং সেন্সর যদি আউটপুট রেজোলিউশানের(ডিএসপি দ্বারা নির্ধারিত) সাথে ম্যাচ করতে না পারে তাহলে অতিরিক্ত রেজোলিউশানের পুরোটাই বৃথা যায়। তাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে যথেষ্ট পরিমাণ রেজোলিউশান থাকা যা দ্বারা ক্যামেরায় ধারণকৃত ইমেজ স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করা যায়।

বিভিন্ন ধরনের সিসিটিভি ক্যামেরা

সব সিসিটিভি ক্যামেরার সাইজ ও গঠন এক রকম নয়। প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে ক্যামেরাও বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। নিম্নে ৩ ধরনের বেসিক ক্যামেরার উদাহরণ দেওয়া হল

বুলেট ক্যামেরা:

এই ছোট নলাকার ক্যামেরাগুলো সাধারণত এমন পারিপার্শ্বিক অবস্থায় ব্যবহৃত হয় যেখানে বিচক্ষণতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্য একে নিরাপত্তামূলক ডোমে স্থায়ীভাবে ইন্সটলের প্রয়োজন নেই। দোকান ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য এটি উপযুক্ত।

কিনতে ক্লিক করুন

ডোম ক্যামেরা:

নজরদারির জন্য ডোম ক্যামেরা অসাধারণ। এটি শুধু নৈমিত্তিক ক্ষতি থেকেই ক্যামেরাকে রক্ষা করেনা বরং অতিমাত্রায় নিরাপত্তা প্রদান করে। কারন ক্যামেরাটি কোন দিকে পয়েন্ট করে থাকে তা বোঝা প্রায় অসম্ভব।

কিনতে ক্লিক করুন

আইআর ডে/নাইট ক্যামেরা:

লাইটিং এর অবস্থা যাই থাকুক না কেন, এই ক্যামেরাগুলো ২৪ ঘণ্টা আউটডোর কভারেজ দিয়ে থাকে। এগুলো দিনের বেলা একটি নির্দিষ্ট কালার ইমেজ দিয়ে থাকে এবং রাতে ইনফ্রারেড ভিউ এর জন্য সাদাকালোতে রূপান্তরিত হয়।

কিনতে ক্লিক করুন

 

Picture: WIFI Camera With IR

ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্য ও চাহিদার উপর নির্ভর করে সে কোন ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার করবে। চাহিদাগুলো নির্ণয় করতে পারলে ক্যামেরা নির্বাচন করা খুবই সহজ। এর পরেও যদি আপনি কনফিউজড থাকেন তাহলে আপনি আমাদের সাহায্য নিতে পারেন। আমাদের এক্সপার্ট টিম আপনাকে সাহায্য করবে কি ধরনের সিষ্টেম আপনার জন্য দরকার সেটা জানাতে। এছাড়াও আমরা গ্রাহকদের পছন্দমত কাস্টমাইজড প্যাকেজ করে দিতে পারি। কর্পোরেট গ্রাহকদের জন্য অফার লেটার ও কোটেশন এর ব্যাবস্থা আছে। যেকোনো সিকিউরিটি সমস্যায় সেরা হার্ডওয়ার কিংবা সফটওয়ার সলিউশনের জন্য যোগাযোগ করুন।

আমাদের সকল সিকিউরিটি ক্যামেরা এবং এ সংক্রান্ত এক্সেসরিজ দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

যোগাযোগ:

গ্যাজেটবাংলা ডট কম
শোরুম নং – ৩১২ – ৩১৩ (৪র্থ তলা), শেলটেক সিয়েরা কম্পিউটার সিটি, ২৩৬ নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা।
ফোনঃ ০১৭৯৯৪৪১১৭১, ০১৭৯৯৪৪১১৫১, ০১৯১৯১১৫৩৬৬
ই-মেইলঃ info@gadgetbangla.com
ওয়েবসাইটঃ http://www.gadgetbangla.com

এই লেখাটি পূর্বে গ্যাজেটবাংলা ডট কম এর ব্লগে প্রকাশিত

এটি একটি Sponsored টিউন। এই Sponsored টিউনটির নিবেদন করছে 'গ্যাজেটবাংলা ডট কম'
'Sponsored টিউন by Techtunes tAds | টেকটিউনস এ বিজ্ঞাপন দিতে ক্লিক করুন এখানে

Ads by Techtunes - tAds
টিউনার সৌশল মিডিয়া
Ads by Techtunes - tAds
টিউমেন্টস টিউমেন্ট গুলো

খুব ভাল

You must be logged in to post a Tumment.