Quantcast

ফেসবুকে চাকরি করতে চান? জানেন কি ফেসবুকে চাকরি করলে আপনার স্যালরি কত হতে পারে?

0 টিউমেন্টস 2,085 দেখা প্রিয়
ফেসবুক

ফেসবুক হচ্ছে পৃথিবীর সবথেকে বেশি ভিজিট করা ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। আমাদের সবারই অন্তত একটি করে ফেসবুক আইডি আছে। বর্তমানে প্রায় ১ বিলিওনেরও বেশি মানুষ প্রত্যেকদিন ফেসবুক ব্যবহার করেন।

তাই ফেসবুকের এই ওয়েবসাইটটি সঠিকভাবে অপারেট করার জন্য বা ভালভাবে পরিচালনা করার জন্য এবং সর্বোপরি সবকিছু ঠিকঠাক রাখার জন্য ফেসবুকের দরকার অনেক বড় বড় ম্যানেজমেন্ট টিম। হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন ফেসবুক কর্পোরেশনে কাজ করেন ফেসবুককে সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য।

অনেকে মনে করেন যে ফেসবুকে যারা যারা কাজ করেন তাদের কাজগুলো খুবই সহজ।আপনিও যদি এমন ধারনা করে থাকেন তাহলে আপনার ধারনাটি অনেকটাই ভুল। ফেসবুক কর্পোরেশনের কাজগুলো আমরা যতোটা সহজ মনে করি, ঠিক ততটা সহজ নয়। কিছু কিছু কাজ সহজ এবং কিছু কিছু কাজ অনেকটা কঠিন এবং অনেক পরিশ্রমের কাজ।

তাই এই ধরনের কাজের জন্য ফেসবুক তাদের কর্মচারীদেরকে বেশ ভাল অঙ্কের স্যালারিও দিয়ে থাকে। কখনও ভেবে দেখেছেন ফেসবুকের কোন সেক্টরে কাজ করলে আপনার দায়িত্ব কি কি হত এবং এর জন্য আপনাকে কত টাকা স্যালারি দেওয়া হত ? এই বিষয়টি নিয়েই আজকের টিউনটি। আর ভূমিকা না করে এবার শুরু করা যাক।

টিউনে দেওয়া এই সব ছবিগুলো ফেসবুক হেড কোয়ার্টার এবং ডেটা সেন্টারের ভেতরের ছবি। কিন্তু প্রত্যেকটি জব পজিশনের নিচে দেওয়া প্রত্যেকটি ছবি শুধুমাত্র ঐ জবটিকেই রিপ্রেজেন্ট করে এমনটা নয়। 

➡ ১৯. ডেটা ইঞ্জিনিয়ার - প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা

যেহেতু ফেসবুকের ইউজার অস্বাভাবিক রকমের বেশি এবং প্রত্যেকদিন প্রায় ১ বিলিওন মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে তাই ফেসবুকের সবসময়ই দরকার হয় কিছু অভিজ্ঞ ডেটা ইঞ্জিনিয়ারদের যারা ইনকামিং এবং আউটগোইং ডেটাগুলো পর্যবেক্ষণ এবং প্রসেস করতে পারবেন।

এই সেক্টরে চাকরি করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কমপক্ষে ২ বছর জাভা/পাইথন এবং কমপক্ষে ২ বছর SQL এর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এই চাকরিটি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $110,193 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা।

➡ ১৮. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার (New Grad) - প্রায় ৯১ লক্ষ টাকা

এটি হচ্ছে ফেসবুকের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার সেক্টরের সবথেকে ছোট লেভেলের চাকরি। ফেসবুকের প্রায় ৪/৫ টি লেভেলের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়া টিউন আছে। এর মধ্যে সবথেকে নিচের লেভেলের টিউন এটি।

এই টিউনে চাকরি পেতে হলে ধারণাই করতেই পারছেন কি করতে হবে, অবশ্যই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশুনা করতে হবে।

এই চাকরিটি করতে পারলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $111,663 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯১ লক্ষ টাকা।

➡ ১৭. অ্যাপ্লিকেশনস অপারেশন ইঞ্জিনিয়ার - প্রায় ৯৩ লক্ষ টাকা

ফেসবুকের কিছু দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারদের দরকার হয় যারা ফেসবুকের ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ্লিকেশনস এবং সর্বোপরি ফেসবুক সার্ভারটি ভালভাবে, দ্রুতগতিতে এবং স্মুথলি চালানোর জন্য সবধরনের সাহায্য করতে পারবে।

এই সেক্টরের জন্য ফেসবুক এমন ধরনের মানুষের খোঁজে থাকে যারা বিজনেস ফোকাসড সফটওয়্যার তৈরিতে আগ্রহী এবং একইসাথে যাদের অনেকটা হ্যাকার টাইপের মেন্টালিটি আছে।

এই চাকরিটি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $114,197 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯৩ লক্ষ টাকা।

➡ ১৬. পার্টনার ইঞ্জিনিয়ার - প্রায় ৯৫ লক্ষ টাকা

একজন পার্টনার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আপনার কাজ হবে ফেসবুকের পার্টনার যেসব প্রতিষ্ঠান তাদেরকে ফেসবুকের সাথে ইন্টার‍্যাক্ট করার সময় তাদের সব ধরনের সাহায্য করা এবং এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে ফেসবুকের পার্টনারশিপ এর জন্য অ্যাপস এবং প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার তৈরি করা।

এই চাকরিটি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায়   $116,682 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯৫ লক্ষ টাকা।

➡ ১৫. ইউজার ইন্টারফেস ইঞ্জিনিয়ার - প্রায় ৯৯ লক্ষ টাকা

এই সেক্টরে কাজ করলে আপনার প্রধান কাজ হবে ফেসবুকের ওয়েব ইন্টারফেস বা অন্য যেকোনো ইন্টারফেসের ডিজাইন করা বা ডিজাইন ইম্প্রুভমেন্ট এর কাজ করা।

সর্বোপরি ফেসবুকের ইউজার ইন্টারফেস সম্পর্কিত সব ধরনের কাজ করাই হবে আপনার দায়িত্ব। এই চাকরিটি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $122,441 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯৯ লক্ষ টাকা।

➡ ১৪. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার - প্রায় ১ কোটি ১ লক্ষ টাকা

এটি ফেসবুকের সাধারন এবং মধ্যম লেভেলের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি। এই চাকরির কর্মচারীদের কাজ বহুমুখি। ফেসবুকের সব ধরনের ম্যানেজমেন্ট এর দিকেই সেক্টরের কর্মচারীদের হাত থাকে। ফেসবুকের সব ধরনের কোডিং, প্রোগ্রামিং এবং সফটওয়্যার বিষয়ক প্রায় সবধরনের কাজই করেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা।

এই চাকরি করতে পারলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $125,491 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ কোটি ১ লক্ষ টাকা।

➡ ১৩. প্রোডাক্ট মার্কেটিং ম্যানেজার - প্রায় ১ কোটি ২ লক্ষ টাকা

প্রেস এবং মিডিয়া এবং পার্টনারদের কাছে ফেসবুক ব্র্যান্ডটিকে তুলে ধরা বা সব রকমভাবে ফেসবুক ব্র্যান্ডটিকে প্রোমোট করা প্রোডাক্ট মার্কেটিং ম্যানেজারদের প্রধান কাজ। অর্থাৎ ফেসবুকের মার্কেটিং সংক্রান্ত সব ধরনের কাজ করাই এই সেক্টরের কর্মচারীদের দায়িত্ব।

এই চাকরিটি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $126,142 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ কোটি ২ লক্ষ টাকা।

➡ ১২. প্রোডাক্ট ডিজাইনার - প্রায় ১ কোটি ৭ লক্ষ টাকা

ফেসবুকের প্রোডাক্ট ডিজাইনারদের কাজ হচ্ছে ফেসবুকের বিভিন্ন প্রোডাক্ট বা বিভিন্ন সার্ভিসের দেখাশুনা করা এবং সেগুলোর ডেভেলপমেন্টে অংশ নেওয়া এবং সেগুলোর ডিজাইন করা বা প্লানিং করা। এই চাকরিটি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $132,174 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ কোটি ৭ লক্ষ টাকা।

➡ ১১. নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার - প্রায় ১ কোটি ৭ লক্ষ টাকা

ফেসবুকের নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ হচ্ছে ফেসবুকের নেটওয়ার্ক এবং সার্ভার সম্পর্কিত সবকিছুর দেখাশুনা করা এবং কোন ধরনের কোন সমস্যা হলে টা যত দ্রুত সম্ভব ঠিক করার চেষ্টা করা। অর্থাৎ ফেসবুকের ডেটা সেন্টাররের নেটওয়ার্ক এবং ফেসবুকের সার্ভার এবং ডেটা আদান প্রদানের সময় ফেসবুকের সার্ভারের কোন ধরনের কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা এটার দেখাশুনা করাই নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ।

আপনি এই চাকরিটি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $132,341 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ কোটি ৭ লক্ষ টাকা।

➡ ১০. প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ার - প্রায় ১ কোটি ৮ লক্ষ টাকা

ফেসবুকের প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারদের দায়িত্ব হচ্ছে এটা নিশ্চিত করা যে, ফেসবুকের যেসব প্রোডাক্ট আছে যেমন, মেসেঞ্জার, ইন্সটাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি সবকিছু ঠিকভাবে চলছে কিনা এবং ঠিকমত গ্রো করছে কিনা।

এই সব ধরনের ফেসবুকের প্রোডাক্টগুলোকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা এবং কোন ধরনের কোন সমস্যা হলে টা যত দ্রুত সম্ভব ফিক্স করার ব্যাবস্থা করাই হচ্ছে ফেসবুকের প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারদের প্রধান কাজ।

এই চাকরিটি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $133,097 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ কোটি ৮ লক্ষ টাকা।

➡ ০৯. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার (IV) - প্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা

ফেসবুকের সবথেকে মূল্যবান এবং সম্মানীয় চাকরি হচ্ছে এই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। ফেসবুকের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের কয়েকটি লেভেল থাকে।  যে যত উঁচু লেভেলের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার তার কাজও তত বেশি কমপ্লেক্স এবং তার স্যালারিও তত বেশি হবে।

এই লেভেলের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা ১৪ নং পয়েন্টের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের থেকে আরেক ধাপ ওপরের লেভেলের এবং এদের কাজও আরো বেশি কমপ্লেক্স এবং বিস্তর।

এই লেভেলের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের বাৎসরিক স্যালারি প্রায় $135,561 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা।

➡ ০৮. ডেটা সাইন্টিস্ট - প্রায় ১ কোটি ১১ লক্ষ টাকা

যেহেতু ফেসবুক একটি বিশাল বড় প্লাটফর্ম, তাই সবসময়ই ফেসবুকের দরকার হয় কয়েকজন দক্ষ এবং অভিজ্ঞ সাইন্টিস্টদের যারা ফেসবুকের সব ধরনের ডেটা নিয়ে রিসার্চ করবে এবং ফেসবুককে বড় বড় স্ট্র্যাটেজিক ডিসিশন নিতে সাহায্য করবে।

এই কাজটি যেমন কঠিন, তেমনি অন্যান্য কর্মজীবীদের থেকে সম্মান এবং সম্মানীর দিক থেকে এই ধরনের কর্মচারীরা অনেকটাই এগিয়ে।

এই চাকরি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $135,769 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ কোটি ১১ লক্ষ টাকা।

➡ ০৭. রিসার্চ সাইন্টিস্ট - ১ কোটি ১১ লক্ষ টাকা

রিসার্চ সাইন্টিস্টরা বিভিন্ন ধরনের গবেষণা এবং অ্যানালাইসিস এর মাধ্যমে ফেসবুকের বিভিন্ন ক্রিটিক্যাল প্রবলেমের সমাধান করেন এবং বিভিন্ন জটিল প্রশ্নের উত্তর দেন। এটিও ফেসবুকের অন্যতম সম্মানীয় একটি চাকরি। এই সেক্টরের কর্মচারীদের স্যালারিও অনেক।

এই চাকরিটি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $137,032 যা বাংলাদেশি টাকায় ১ কোটি ১১ লক্ষ টাকা।

➡ ০৬. ডেটাবেস ইঞ্জিনিয়ার - প্রায় ১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা

এই সেক্টরের কর্মচারীদের প্রধান কাজ হচ্ছে কমপ্লেক্স ডেটাবেসগুলোর ডিজাইন করা এবং রক্ষনাবেক্ষন করা। ফেসবুকের সব ধরনের সেক্টরের মধ্যে অন্যতম কঠিন কাজ এটি।

এই চাকরি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $141,635 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা।

➡ ০৫. প্রোডাক্ট ম্যানেজার - ১ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা

ফেসবুকের প্রোডাক্ট টিমের সম্পূর্ণ ম্যানেজমেন্ট এর দায়িত্বে যারা থাকেন তারাই ফেসবুকের প্রোডাক্ট ম্যানেজার। ফেসবুকের প্রোডাক্ট ম্যানেজারদের কাজ হচ্ছে ফেসবুকের সম্পূর্ণ প্রোডাক্ট টিমের নেতৃত্ব দেয়া এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কিত সব ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং কমপ্লেক্স প্রবলেমগুলোর সমাধান করা।

এই চাকরি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $146,490 যা বাংলাদেশি টাকায় ১ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা।

➡ ০৪. টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার -  ১ কোটি ২১ লক্ষ টাকা

এই সেক্টরের প্রোগ্রাম ম্যানেজাররা ফেসবুকের কোর টিম মেম্বার। ফেসবুকের ভেতরের বিভিন্ন প্রোগ্রামের কোন ধরনের টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দিলে তারা এর জন্য কাজ করেন। এছাড়া এরা ফেসবুকের অন্যান্য সেক্টরের এবং প্রোডাক্ট টিমের কার্যক্রম পর্যবেক্ষনও করেন।

এই চাকরিটি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $149,581 যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ কোটি ২১ লক্ষ টাকা।

➡ ০৩. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার (V) - প্রায় ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা

এরা হলেন ফেসবুকের সবথেকে টপ লেভেলের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। এরা ফেসবুকের সব সেক্টরের সব ধরনের সফটওয়্যার ডেভেলপ[মেন্ট নিয়ে কাজ করেন। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে সবথেকে বেশি স্যালারিও এরাই পান। ফেসবুকের এই টিউনের কর্মচারীদের কাজও ফেসবুকের অন্যতম কঠিন একটি কাজ।

এই চাকরিটি করলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $155,071 যা বাংলাদেশি টাকায় ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা।

➡ ০২. সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার - প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা

এরা ফেসবুকের সবথেকে দক্ষ এবং সবথেকে অভিজ্ঞ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে কয়েকজন সবথেকে দক্ষ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা ফেসবুকের এই সেক্টরে কাজ করেন।

এরাই ফেসবুকের সমগ্র ফেসবুকের সব ধরনের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের নেতৃত্ব দান করেন এবং ফেসবুকের সবথেকে কমপ্লেক্স বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করেন।

এই চাকরিটি করতে পারলে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $159,545 যা বাংলাদেশি টাকায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা।

➡ ০১. ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার -  প্রায় ১ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা

এটি ফেসবুকের সবথেকে মূল্যবান এবং সবথেকে সম্মানিত এবং একইসাথে সবথেকে কঠিন কাজ। ফেসবুকের এই সেক্টরে যারা কাজ করেন তারা ফেসবুকের সব সেক্টরের সব ধরনের ম্যানেজারদের নেতৃত্ব দান করেন।

ফেসবুক কর্পোরেশনের সবথেকে কমপ্লেক্স এবং সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য এরা থাকেন এবং অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারদের কাজে সাহায্যও করে থাকেন। এবং ফেসবুক কর্পোরেশনে সবথেকে বেশি স্যালারিও এরাই পান।

আপনি যদি ফেসবুকের ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার হতে পারেন তবে আপনার বাৎসরিক স্যালারি হবে প্রায় $164,999 যা বাংলাদেশি টাকায় ১ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা।

তো এই ছিল ফেসবুকের বিভিন্ন সেক্টরের বিভিন্ন কর্মচারীদের কাজ এবং তাদের স্যালারি। আজকের মত এখানেই টিউনটি শেষ করছি। আশা করি টিউনটি আপনাদের ভাল লেগেছে। টিউন সম্পর্কে কোন ধরনের কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকলে অবশ্যই টিউনমেন্ট করে জানাবেন। ভাল থাকবেন।

You can contact me on : Facebook

আমার নাম সিয়াম রউফ একান্ত। অনেকে সিয়াম নামে চেনে আবার অনেক একান্ত নামে। যাইহোক, পড়াশুনা একেবারেই ভাল লাগেনা আমার। ভাল লাগার মধ্যে দুইটা জিনিস , ফটোগ্রাফি আর প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির প্রতি ভাললাগা থেকেই টেকটিউন্স চেনা এবং টেকটিউন্সে আইডি খোলা। দেখা যাক কতদূর কি করা যায়......

টিউনার সৌশল মিডিয়া
Ads by Techtunes - tAds
টিউমেন্টস টিউমেন্ট গুলো

You must be logged in to post a Tumment.