Quantcast
ADs by Techtunes tAds
ADs by Techtunes tAds

মহাকাশে প্রতিবেশী। আছে কী কেউ?

এলিয়েন (Alien) সম্পর্কে আমাদের জানার আগ্রহের কোন কমতি নেই। অনেকেই বিশ্বাস করেন এলিয়েন আছে অনেকেই বলেন এসব মিথ্যে। কিন্তু মনে মনে হয়ত আমরা সবাই কিছুটা হলেও এলিয়েনের অস্থিত্বে বিশ্বাস করি এবং এ বিষয়ে বেশ কৌতুহলি। এলিয়েনের অস্থিত্বে বিভিন্ন প্রমাণ মিললেও তা পাকাপোক্ত নয় তাই আমরা এলিয়েনের অস্থিত্ব সম্পর্কে অফিসিয়াল কোন বানী পাইনি। কিন্তু এত বড় মহাবিশ্বে পৃথিবী ছাড়াও অন্য কোন জায়গায় এলিয়েন থাকাটাই স্বাভাবিক। এলিয়েন সম্পর্কে আমার ব্যাক্তিগত কিছু কৌতুহল থেকে আমি এসম্পর্কে কিছু তথ্য নেট ঘেটে বের করেছি যা আপনাদের সাথে টিউন আকারে শেয়ার করলাম।

ADs by Techtunes tAds

http://www.newanimal.org/alien_asgard_stargate.jpg

এলিয়েন কি?

এলিয়েন সম্পর্কে বলার আগে এলিয়েন সম্পর্কে কিছু ব্যাপার পরিষ্কার করে নেই। এলিয়েন বলতে এমন জীবকে বোঝায় যাদের উদ্ভব পৃথিবীর বাইরে মহাবিশ্বের অন্য কোথাও হয়েছে এবং তারা সেখানেই বসবাস করে। এলিয়েন দেখতে কেমন হবে তার কোন ঠিক নেই।তারা দেখতে পৃথিবীর প্রাণীদের কাছাকাছিও হতে পারে আবার আমাদের ধারনা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হতে পারে।মোট কথা এলিয়েনের আকার আকৃতি নিয়ে মানব জাতীর পাকাপোক্ত কোন ধারনা নেই। এলিয়েন আছে তাই স্পষ্টকরে প্রমাণ হলনা আবার আকার-আকৃতি সম্পর্কে ধারনা আসবে কোত্থেকে?

এলিয়েনের প্রকারভেদ

একটু আগেই বললাম এলিয়েন এর আকার আকৃতি সম্পর্কে মানব জাতীর কোন ধারনা নেই। কিন্তু কিছু কিছু মানুষ দাবী করেন তারা এলিয়েন দেখেছেন। তাদের বর্নণা থেকে এলিয়েনের বিভিন্ন প্রকারভেদ তৈরী করা হয়েছে। সাধারনত এদের গঠন দিয়েই এদেরকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। মৌলিক ভাগগুলো হলঃ গ্রে এলিয়েন, দ্য র‍্যাপ্টিলিয়ানস ও হিউম্যান টাইপ; এছাড়াও এদেরকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

গ্রে এলিয়েন

এই টাইপের সবচেয়ে বেশি এলিয়েন পাওয়া যায়। এদের রংয়ে ধূষরের আধিক্ক থাকে বলে এদেরকে গ্রে এলিয়েন বলা হয়। এদের উচ্চতা ৩.৫ থেকে ছয় ফিট। এদের আছে বড় বড় ডিম্বাকৃতির গাঢ় কালো চোখ। এদের আবেগ অনুভুতি নেই বললেই চলে। মানুষের সাথে এরা খুবই নিষ্ঠুর আচরন করে। পাশের ছবিতে একটি গ্রে এলিয়েনের প্রতিকৃতি।


দ্য র‍্যপ্টিলিয়ানস

তিব্বতের একটি উপজাতীদের পূর্বপুরুষরা নাকি তারা(star) থেকে এসেছিল। উপজাতিটির নাম র‍্যাপটলিয়াডস। র‍্যাপ্টিলিয়ানসরা মানুষের আকারের প্রায় দ্বিগুন ছিল। এদের মস্তিষ্ক ছিল অনেক বড়। ফলে মাথার পেছনের দিকটা ছিল অনেক লম্বা। তাদের ওজনও ছিল প্রচুর প্রায় ২০০ কেজির মত। তাদের দেহ ছিল কুমিরের মত খাজ কাটা। কার খাজ ছিল ধূষরে সবুজ আবার কার কফি-গাঢ় সবুজ। এরা শিতল রক্ত বিশিষ্ট। পৃথিবীকে এরা নিজেদের গ্রহ মনে করে। এদের মূল গ্রহ দিন দিন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠছে তাই তারা ফিরে এলে পৃথিবীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রন নিয়ে নিতে চাইবে। ছবির খুলিটি কোন এক গুহায় পাওয়া যায়। সম্ভবত এটি কোন র‍্যাপ্টিলিয়ানস এলিয়েনের খুলি।

ADs by Techtunes tAds

হিউম্যান টাইপ

এরা দেখতে প্রায় মানুষের মত। মানুষের সাথে এদের পার্থক্য হল এদের মোটা লম্বা চুল এবং অত্যন্ত ফর্সা ত্বক। এরা লম্বায় ১.৭-২ মিটার লম্বা হয়ে থাকে। এদের গ্রহে অক্সিজেন অত্যন্ত অল্প তাই এদের কপার ভিত্তিক রক্ত রয়েছে যা তাদেরকে বেশি অক্সিজেন ধারনে সাহায্য করে। অতি বেগুনী রশ্মিতেও এরা দেখতে পায়। এরাই একমাত্র প্রজাতী যারা মানুষের ক্ষতি করতে নয় আমাদের সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হতে আসে। Nordics-দের সাথে নাকি এদের সংঘর্ষও হয়েছে। মানুষের সাথে এদের মিলের কারনে অনেকে ধারনা করেন এরা মানুষের আত্বীয় যারা পূর্বে এ গ্রহ ছেড়ে চলে গেছে। কোন ছবি খুজে পেলাম না, দয়া করে আয়না দেখে নিন।

বাহন

এলিয়েনরা যেসব বাহন ব্যবহার করে সেগুলোকে UFO বা Unidentified Flying Object বলা হয়। এগুলো দেখতে প্লেটের মত এবং খুবই দ্রুতগতীর হয়। UFO দেখার মাধ্যমেই এলিয়েন সম্পর্কে মানুষের ধারনা আসে। UFO নিয়ে বিভিন্ন ঘটনা রয়েছে তার মদ্ধে রজওয়েলের ঘটনা অন্যতম। উইকিপিডিয়া থেকে এই ঘটনার বর্ণনা পেলামঃ

নিউ মেক্সিকোর মরুভূমিতে একটি শহর রজওয়েল। ১৯৪৭ সালের ১লা জুলাই, রাত্রিতে একটি প্রচন্ড ঝড়ে এবং বজ্রপাতের সময় এক বিমান ঘাটির রাডারে একটি অদ্ভুত ঘটনা ধরা পড়েছিল। রাডারে পর্দার এক কোনায় বার বার একটি বস্তু দেখা যাচ্ছিল। এটি এমন গতিতে যাচ্ছিল যে, ওই সময়ের সেনাবাহিনীর বিমানগুলোও (বর্তমান গতিরোধক বিমান) সেই গতিতে যাওয়ার কথা চিন্তাও করতে পারতো না। রাডারের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে বজ্রপাতের মত দিক পরিবর্তন করতে দেখা যায়। এটি ছিল ব্যাখ্যাতীত বিষয়, ঝড়ের দ্বারা উৎ‍পাদীত তড়িৎ-চুম্বকীয় সমস্যার জন্য রাডার পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রাডারে একই জিনিষ লহ্ম্য করা হল যে, এটি আগের মতই বজ্রপাতের মত দিক পরিবর্তন করছে। তারা ভেবেছিল যে, কোন সত্যিকার বস্তু, বিপদজনকভাবে অজানা এবং সম্ভবত যুদ্ধপ্রিয় যা তাদের আকাশসীমা পার করছিল। পরে ৮ই জুলাই ১৯৪৭ সালে, রজওয়েল দৈনিক রেকর্ড নামে একটি সংবাদপত্রর প্রথম পাতায় প্রকাশ করেছিল যে, "রজওয়েলের খামার অঞ্চলে আরএএএফ উড়ন্ত বস্তু ধরা পড়েছে"। ঘটনাটি অন্যান্য স্থানীয় সংবাদপত্রতেও দেখা গিয়েছিল। এই বছর ৮ই জুলাই, বিমান বাহিনীর রেডিও সংবাদপত্রে ঘোষণা করেছিল যে, রহস্যময় দূর্ঘটনাটি একটি উড়ন্ত বস্তুর দ্বারা ঘটে ছিল। এই ঘটনাটির জন্য রজওয়েল শহরে ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (FBI) এসেছিল ব্যাপারটি পরীহ্মা করার জন্য। বিতর্কের কিছু দিন পরে, রজওয়েল সামরিক বাহিনীরা একটি বেলুনের ছিন্নাংশ দেখিয়েছিল, যেটি মুগুল নামের একটি প্রোগ্র্যামের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। এ সিস্টেমটি পরমাণবিক ক্ষেত্রের ক্রিয়াকলাপ পর্যবেক্ষণ করার জন্য পরিকল্পনা করা ছিল। সেই বছর গুলোতে রজওয়েলের বাসিন্দাদের থেকে বিভিন্ন সংবাদ এসেছে বিমান বাহিনী এবং ফেডারেলের সম্বন্ধে। কিছু লোক বলেছিল যে, "কখনও কখনও বিমান বাহিনীর কমর্চারীরা ধ্বংসাবশেষ এবং ফেডারেলের ট্রাকে দেহ (মানুষের না) বহন করে"। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের দ্বারা এগুলো সব অস্বীকার করা হয়েছে।

এছাড়া আরও অনেক ঘটনা রয়েছে কিন্তু টিউন লম্বা হয়ে যাবে তাই আর এখানে যুক্ত করলাম না। চাইলে উইকিপিডিয়ায় এই লিঙ্ক দেখতে পারেন।

প্রমাণঃ এতক্ষন ধরে বকবক করলাম। ছোটখাট কিছু প্রমান না দিলে আপনারা বলবেন গাজাখুরি গল্প করেছি। তাই যা প্রমাণ পেলাম তাই তুলে ধরলামঃ

৬২ জন স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের প্রত্যক্ষ দর্শনঃ ১৯৯৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জিমবাবুয়ের একটি প্রাইমারী স্কুলের ৬২ জন শিক্ষার্থী ভীনগ্রহীদের সাথে মুখুমুখি হন। তারা প্রত্যেকে একই ঘটনা বর্ণনা করেছেন। এমনকি আজ পর্যন্ত তাদেরকে এলিয়েনের ছবি আঁকতে বলা হলে তারা একই রকমের ছবি আঁকে। স্থানীয় একটি টিভি চ্যালেল এনিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরী করেছে। ভিডিওটি পাবেন এখানে

অ'হের বিমানবন্দরঃ বেশিদিন আগে নয়। ২০০৬ সালের ৭ নভেম্বর, সিকাগোতে  অ'হের বিমানবন্দরের ১২ জন কর্মচারি বলেন যে তারা রানওয়ের সামান্য উপরে চাকতি আকৃতির বিশাল কোন বস্তুকে ঘুরপাক খেতে দেখেছেন।

কিছু ছবি দিয়ে দিলামঃ বেছে বেছে পরিষ্কার ছবিগুলো দিলাম। ছবিগুলো কিন্তু আসল।

শেষ কথা

এলিয়েন থাকুক আর নাই থাকুক এটা নিয়ে আমাদের কৌতুহল কোনদিন কমবে না। কিন্তু বুদ্ধিমান এলিয়েন থাকা আমাদের জন্য ক্ষতিকর। এবিষয়ে বিজ্ঞানি স্টিফেন হকিন্স বলেছেন,

ADs by Techtunes tAds

"মহাবিশ্ব অনেক বড়। এর কোথাও না কোথাও প্রাণের অস্থীত্ব থাকবে। আর এ প্রাণ যদি প্রযুক্তিতে আমাদের চেয়ে এগিয়ে থাকে তাহলে আমাদের জন্য তা অমঙ্গলকর হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, যেমনটা হয়েছিল ক্রিস্টোফারের আমেরিকা আবিশকারের পর রেড-ইন্ডিয়ানদের অবস্থা।"

সুতরাং পৃথিবীর বাইরে বুদ্ধিমান প্রাণের অস্থিত্ব না থাকাটাই আমাদের জন্য ভাল।
আর লিখছি না(মনটা খচ খচ করছে, আরও কিছু লিখলে ভাল হত)। ভাল লাগুক আর না লাগুক কমেন্ট করবেন। আর কোন কিছু বাকী থাকলে আমাকে বলুন আমি আপডেট করে দিব।

আমার টিউন গুলো ভালো লাগলে অবশ্যই আমার টিউন বেশি বেশি জোসস করুন

আমার টিউন গুলো আপনার 'টিউন স্ক্রিন' নিয়মিত পেতে অবশ্যই আমাকে ফলো করুন। আমার টিউন গুলো সবার কাছে ছড়িতে দিতে অবশ্যই আমার টিউন গুলো বিভিন্ন সৌশল মিডিয়াতে বেশি বেশি শেয়ার করুন

আমার টিউন সম্পর্কে আপনার যে কোন মতামত, পরামর্শ ও আলোচনা করতে অবশ্যই আমার টিউনে টিউমেন্ট করুন

আমার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য 'টেকটিউনস ম্যাসেঞ্জারে' আমাকে ম্যাসেজ করুন। আমার সকল টিউন পেতে ভিজিট করুন আমার 'টিউনার পেইজ'

ADs by Techtunes tAds

আমি আদনান। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 2 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 37 টি টিউন ও 1037 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 1 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

আপানাকেই ত খুজছে টেকটিউনস……ফাটাফাটি লেখা লিখেছেন
পড়ে অনেক কিছুই জানতে পারলাম
ধন্যবাদ

    ধন্যবাদ ভাই। সুন্দর মন্তব্য করে মনটা ভরে দিলেন।

এ বিষয়টা নিয়ে আসলে মাঝে মাঝে ভাবি আসলেই কি এলিয়েন জাতিয় কিছু আছে!!! আপনি ঠিক বলেছেন ওরা না থাকাটাই আমাদের জন্য ভালো

    আমারতো মনে হয় আছে। থাকুক, দুরে থাকুক; কাছে আসার দরকার নেই। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

ভাই চখাম টিউন দিলেন। পড়ে তো ভয় লাগছে, যদি আইসা পড়ে তাহলে কি হইব? যেই ভাবে পৃথিবী ঘুইরা দেখতাছে…

অসাধারণ বর্ণনা। ভালো লাগছে, মনটা খচ্ খচ্ করার কিছু নাই। ধন্যবাদ।

    ভাল লাগলেই আমি খুসি। হয়ত মন খচ খচ করার কিছু নেই। একটু পরে ঠিক হয়ে যাবে। ধন্যবাদ।

    মনটা আর খচ খচ করছে না। অনেক মন্তব্য পেয়েছি। আর কী চাই?

দারুন পোষ্ট করেছেন।

ভাই আমি এলিএন এর নাম শুনেছি কিন্তু দেখি নাই, আজ দেখলাম। দেখে বেশ ভয় লাগছে। রাতে হয়ত একা বাইরে বেরুতে পারব না। ওদের পৃথিবিতে আসার কোন দরকার নাই। খামখা গ্যানজাম!!!!!!!!!!!

    ভয় পাবেন না। এখন বড় হয়ে গেছেন। আর এরকম কিছু দেখলে এখানে এসে কমেন্ট দিবেন তাহলে টেকটিউনসের সবাই আপনার বাসায় চলে আসব।

    আদনান ভাই একটু ‍উপকার করেন, আমি একজন টিউনার হতে চাচ্ছি কিন্তু পারছি না। টিউন লিখি ঠিকি কিন্তু পোষ্ট করতে পারি না।
    টেকটিউনে টিউন করার প্রসেস সমন্ধে যদি ‍আমাকে কিছু শেখাতেন তাহলে উপকৃত হতাম।

    টিউন করার জন্য এই টিউনটা দেখতে পারেনঃ http://techtunes.com.bd/how-to/tune-id/27070/ । আশা করি আপনি সফল হবেন এবং অনেক অনেক ভাল ভাল টিউন করবেন। তবুও যদি সমস্যা থেকে যায় তাহলে আমাকে মেইল দিবেন।

ইনশাল্লাহ এলিয়েন নাই। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে এত সুন্দর করে লিখার জন্য।

আসলেই মারাত্তক পোস্ট।
ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ আপনাকে। এই মহাবিশ্বে শুধুমাত্র পৃথিবীতেই মানুষ থাকবে এটা আমার এখন আর মনে হয় না। আর পবিত্র কোরআন শরীফে ও নাকি এই রকম ইঙ্গিত দেওয়া আছে। গত বছর রমযান মাসে দিগন্ত টিভিতে ইসলামিক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান “সরল পথ” এ পৃথিবী ছাড়াও অন্য গ্রহে মানুষ আছে কিনা প্রশ্ন করলে। জনৈক উত্তরদাতা বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবীদ ও মাদানী ইব্রাহীম হুজুর বলেন যে, এই পৃথিবী ছাড়াও এই মহাবিশ্বের এই রকম ৭টি গ্রহে মানুষ আছে এবং তাদের মাঝেও নাকি নবী, রাসুল এসেছে। ভবিষ্যতে নাকি আমাদের এই পৃথিবী মানুষের সাথে সাক্ষাত হবে। উনি আরও বলেছেন যে, অন্য ৬টি গ্রহের মানুষের জ্ঞান বুদ্ধির চেয়ে নাকি আমাদের এই পৃথিবীর মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি বেশী। উনি কোরআনের ১টি সুরার কথা বলেছিলেন কিন্তু এখন এটা আমার মনে পড়ছে না।

অদূর ভবিষ্যতে আরও দ্রুতগতির কোন মহাকাশ যান, বিজ্ঞানের উন্নতি, মহাকাশ গবেষণার উন্নতি হলেই আমরা আরও নতুন নতুন তথ্য পাব।

    সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। সাক্ষাৎ কি ভাল ফল বয়ে আনবে না খারাপ ফল বয়ে আনবে এ সম্পর্কে কি কিছু বলা হয়েছে?

চমৎকার হয়েছে……এগিয়ে যান।

    ধন্যবাদ উৎসাহ দেয়ার জন্য।

আসলে কোয়ি মিল গ্যায়া ছবিটা দেখার পর থেকে এই বিষয় টা মাঝে মাঝে আমারে ভাবায়। মনে হয় আমিও এমন হয়ে যাব একদিন , যদি হতে পারতাম ইশ কতই না মজা হত

    কোয়ী মিল গ্যায়ার মত যদি এলিয়েন আসে তবে তারা বদ্ধুত্ব করতে আসবে না। কারন সেইটা ছবি আর এইটা বাস্তব। তারা এত কষ্ট করে এত দুর থেকে এখানে এসে আলু(আলো) খাবে আর সব ক্ষমতা আপনাকে দিয়ে দিবে এমনকি হবে? বরংচ তারা চিন্তা করবে, “এই গ্রহে প্রাণের অস্থিত্ব সম্ভব, তাহলে এখানে আমাদের গ্রহের একটা ব্রাঞ্চ খোলা যাক।” তাই খুশি হওয়ার কোন কারন নেই। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

চমৎকার টিউন ….. আশা করি এমন আরো পাবো

    ধন্যবাদ সোহান ভাই। চেষ্টা করব আরও দিতে, ইনসাআল্লাহ পাবেন। তা আপনার ব্লগটার কি হয়েছে?

আদনান ভাই খুবেই প্রশংসনীয় টিউন।

এলিয়েন নিয়ে একসময় ভাবতাম, এখন আর ভাবি না। সৃষ্টিকর্তা যখন বলেই দিয়েছেন যে, মানুষ তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, সুতরাং এই বিষয় নিয়ে আমাদের সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই যে, যে কোনো জাগতিক বা মহাজাগতিক বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার ক্ষমতা আমাদের তিনি দিয়েছেন (যদি না সেই বিপর্যয়টি ‘কিয়ামত’ না হয়)।
তবে ভাল লাগল একটা sci-fi টিউন পড়ে।
[অফটপিক: আমি sci-fi পছন্দ করি :)]

    ভাল পয়েন্ট। তারা যদি থাকেও তাহলে আমাদের চেয়ে একটু কম বুদ্ধিমান। ফলে আমরা ইনসাআল্লাহ মোকাবেলা করতে পারব। এইটাকেকি সায়েন্সফিকশন বলা যায়? কি জানি, হয়ত।

খুব সুন্দর হয়েছে । ধন্যবাদ আদনান তোমাকে এমন বিস্তারিত ভাবে উপস্হাপনের জন্য ।

খুবই দারুন হয়োছ, ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।

    ধন্যবাদ পাবেল ভাই। পাঠকের ভাল লাগাতেই টিউনারের স্বার্থকতা।

ভাই মহাকাশে আমি আছি,দেখ করতে চাও? ;D

    এই, আপনি ঐখানে কী করেন? এলিয়েনরা ধরে নিয়ে যাবে। তাড়াতাড়ি নিচে আসেন।

ভাই অসম্ভব সুন্দর একটা পোষ্ট।

    ধন্যবাদ। মন্তব্য পেয়ে খুশি হলাম।

খুবই তথ্যবহুল টিউন । ধন্যবাদ

বাহ! ইদানিং টেকটিউনসে খুব ভাল ভাল টিউনার পাওয়া গেছে। খুব ভাল লিখেছেন। এমন আরও টিউন চাই।
খুবই তথ্যবহুল টিউন ।
ধন্যবাদ।

    এমন উৎসাহ দিলে ভাল টিউন না করে উপায় আছে?

দারুন লিখেছেন
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ.

ধন্যবাদ। ছবিগুলো আগেই দেখেছি। আপনার বর্ণনাগুলো ভালো লেগেছে।

    ভাল লাগলেই ভাল। মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

আমি ভূত বিশ্বাস করি কিন্তু এলিয়েন বিশ্বাস করি কিনা বুঝতে পাছিনা।
তবে বস, মাইন্ড ব্লয়িং টিউন।

টিউনটা নির্বাচিত করা হক।

এলিয়েন আছে এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস এর কিছু ভিডিও ক্লিপ আমার কাছে আছে। সময় পেলে আপনাদের সাথে শেয়ার করব। ভাল থাকবেন। অশংখ্য ধন্যবাদ। এ+ টিউন।

    অবস্যই শেয়ার করবেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। এসএসসিতে এ+ পাইনি টিউনে পেলাম, মোটামোটি ভালই লাগছে। ধন্যবাদ।

    ভাই ভিডিওগুলোকি আসল? আমার কাছেতো জোশ লাগল। বিশেষকরে * দেয়াগুলো। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

    আমি টিউনে যোগ করছি।

আপনার এলিয়েন সম্পর্কে সবার শেষের আশঙ্কাটি হয়ত ঠিক না। পৃথিবীতে আমরা সর্বাধিক বুদ্ধিমত্তা বিশিষ্ট প্রাণী। তাই আমরা নিম্নস্তরের বুদ্ধিমত্তার উপকারের কথা ভাবি (যেমন কুকুর, বেড়াল, মাছ, পাখী ইত্যাদি।) যদি এলিয়েনরা আমাদের আগে খুঁজে পায় তার মানে হল ওরা আমাদের চেয়ে বেশী বুদ্ধিমত্তার অধিকারী। আর তাহলে তাদের দ্বারা আমাদের ক্ষতির সম্ভাবনা কম; এবং তারাও এসেছে নিজেদের অস্তিত্ব ছাড়া আর কোন বুদ্ধিমান প্রানী মহাবিশ্বে আছে কিনা জানার জন্য।
মানবজাতি ইতোমধ্যেই জেনে গেছে – জ্ঞানের কোন শর্টকাট নেই। তাই তারা নিম্নবুদ্ধির কাউকে নিজেদের জ্ঞানটা ট্রান্সফার করতে চায়না। তেমনি এলিয়েনরাও তাদের জ্ঞান (যা আমাদের বোধগম্যতার বাইরে) তা ট্রান্সফার করবেনা, কেবল ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করতে পারে।

কাজেই, এলিয়েন দেখতে পেলে নির্ভয়ে এগিয়ে গিয়ে অভিবাদন জানান 🙂

    এলিয়েনরা আমাদের আগে খুঁজে পেলে ওরা আমাদের থেকে বেশী বুদ্ধিমান হবে…এটা মনে হয় ঠিক না… কোনো হারানো বা লুকানো জিনিষ খোঁজার ক্ষেত্রে মানুষের থেকে কুকুর বেশী পারদর্শী হতে পারে…তার মানে এই না যে কুকুরেরা মানুষের থেকে বেশী বুদ্ধিমান…

    @তৌহিদ ভাইয়ের মন্তব্যটা ঠিক বুঝলামনা। আপনি কি বলতে চাইছেন আমরা যেমনটা করে আমাদের চেয়ে নিম্ন বুদ্ধিমান প্রানীর ক্ষতি করছিনা এলিয়েনরাও তেমনি আমাদের ক্ষতি করবেনা। এক্ষেত্রে বলতে হবে আমরা বিভিন্ন প্রাণীকে ইতিমদ্ধে বিলুপ্ত করে ফেলেছি। তাছাড়া মানুষ চায় যে প্রাণীই হোক তাকে পোষ মানাতে। এলিয়েনরা কি চাইবেনা আমাদেরকে পোষ মানাতে? তারা যদি আমাদের চেয়ে বেশি সামর্থবান হয় তাহলে তারা অবশ্যই আমাদের দিয়ে কাজ করাবে। বিজ্ঞানি হকিন্সইতো উদাহরণ দিয়ে দিয়েছেন যা আমি টিউনের শেষে যুক্ত করেছি।
    @রিশাদ ভাইয়ের মন্তব্যের সাথে একমত। তবে তা সকল ক্ষেত্রে নয়।

    @তৌহিদুর রহমান: আদনান ভাইয়ের পোস্টটি চমৎকার হয়েছে, পোস্টটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য অভ্র ইন্সটাল করে কমেন্ট করতে বসলাম, আমি তৌহিদুর ভাই একটা বিষয়ে একমত যে, তারা (এলিয়েনরা) আমাদের ক্ষতি করতে নাও পারে। যাহোক এবার আমার মতে, সবচেয়ে বড় সত্য কথা হল আমরা মানুষ, আমাদের ৬ টা ইন্দ্রিয় আছে,যেটার মাধ্যমে আমাদের অনুভূতিগুলো প্রকাশ বা গ্রহন করতে পারি। মহাবিশ্বে এমন কোন বস্তু বা অন্য কিছু যেটার অনুভূতি আছে এমন জিনিস নিশ্চয় রয়েছে এবং তারা যে বুদ্ধি-বিদ্যায় আমাদের চেয়ে এগিয়ে থাকবে সেটার সম্ভবনাটা আজগুবি নয়। এখন কথা হল আমরা (পৃথিবীর) প্রাণীরা জীবনধারণ/বসবাস করি অনেকটা প্রাণীসুলভ বৈশিষ্ট্য নিয়ে যেমনঃ আহার, নিদ্রা, ভাল-মন্দ অনুভূতি ইত্যাদি কিন্তু এলিয়েনরা (ধরি এলিয়েন নাম্বার ১) অন্য একটা গ্যালাক্সির একটা অক্ষাংশে বসবাস করে, যেখানে তারা (এলিয়েনরা) বেঁচে থাকে জিরো গ্রাফিটির পাওয়ারকে কাজে লাগিয়ে এবং যদি এমন হয় তাদের মৃত্যু নেয় একরূপ থেকে অন্যরূপে বিভাজিত হয় তাদের অনুভূতি শক্তি বলতে কিছু নেয় এবং তারা প্রযুক্তিতে আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। তারা যদি (এলিয়েন নাম্বার ১) পৃথিবীতে আসে তাহলে আমাদের অস্তিত্ব তাদের কাছে জড় পদার্থের মত লাগবে সুতরাং এক্ষেত্রে আমাদের অস্তিত্ব তখনই বিলীন হয়ে যেতে পারে আবার অন্য আর এক স্থানের এলিয়েন (ধরি এলিয়েন নাম্বার ২) যারা অনেক অনেক বেশি বুদ্ধিমান এবং বিদ্যা-বুদ্ধি, প্রযুক্তিতে অনেক অনেক বেশি এগিয়ে তারা মহাবিশ্বের এমন এক বস্তু খুঁজে বেড়াচ্ছে যাদের তারা পোষ মানাবে এবং পৃথিবীতে তাদের আগমন মানেই আমাদেরকে তাদের বশ্যতা স্বীকার করতে হবে। 🙁

    অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে, আর কিছু লিখলাম না এবং এটা আমরা সবাই জানি যে, যে বিষয়ে সঠিকভাবে অনুমান করা সম্ভবপর নয় সেই বিষয়ে পরিপূর্ণ মত প্রকাশ করা অসম্ভব।

ধন্যবাদ ভাইজান , কি ছবি দিলেন যতবার তাকাই ততবার ই ভয় লাগে ।

    এলিয়েন কে ভয় না করে আল্লাহকে ভয় করা উত্তম, তবে টিউনের লেখাটা খুবই সুন্দর হইছে।ধন্যবাদ আদনান ভাইকে

    ভয় পাওয়ার কিছু নেই তারা এখনও আক্রমন করেনি তাছাড়া টিউনের প্রথমে যে ছবি আছে তা নকল।
    .
    খোকন ভাই ঠিক কথা বলেছেন। এলিয়েনকে ভয় না করে আল্লাহকে ভয় করা ভাল। মানুষ সৃষ্টি শেষ্ঠ জীব, তাই আল্লাহ অন্য কোন প্রাণীর কাছে মানুষ্কে ছোট হতে দেবেন না।

এ নিয়ে অনেক আগে দুটি বই পড়েছিলাম “ভিন গ্রহের প্রাণী” রহস্য ও সমাধান। অনেক কিছুই জানা হয়েছিলো তখন… ধন্যবাদ আপনাকে।

    মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ শওকত ভাই। তা বইগুলোকি বাংলায় ছিল? কোন রাইটারের?

এই টিউন্টা সময়ের অভাবে পড়া হয় নি। তবে অনেক আগেই পড়তাম । পড়ি নি কারণ টিউন স্টিকি হইছে । মানে হইল এটা হারিয়ে পরের পৃষ্ঠায় যাবে না, প্রথম পেজ এ ই থাকবে। সো নো চিন্তা । তাই ২ দিন পরেই পড়লাম।
আপনি ভালই লেখচেন । ছবি দেখে ভয় লাগে তো !

    পড়ার জন্য এবং সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে ধন্যবাদটা ২-৩ দিন পর গ্রহন করবেন :p।

জটিল টিউন ভাই,এলিয়েন নিয়ে ভাবতে মাঝে মাঝে ভালোই লাগে,আসলেই কি মানুষ ছাড়া মহাবিশ্বে আর কেউ আছে??এই প্রশ্নটা এখন পর্যন্ত প্রশ্নই রয়ে গেল.টিউনের ছবি গুলো দেকে আরো ভালো লাগল.ভাই আপনার কাছে এরকম আরো ছবি থেকে থাকে তাহলে সেগুলো এবং বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে আরেকটি টিউন করার জন্য অনূরোধ করছি.
ধন্যবাদ

    এলিয়েন নিয়ে আমি জানতাম তা সবই আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। ছবির জন্য গুগল বা ফ্লিকার বা এ জাতীয় সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করতে পারেন। ধন্যবাদ।

পৃথিবী ছাড়া অন্য গ্রহেও বুদ্ধিমান প্রানী আছে, এটা মুসলিম শরীফের হাদিস।

Khibi tatik akti tune valo Valo besh Valo Khube moza Pailam.

    Thank you for the comment but failed to understand it properly.

আদনান ভাই, টিউস A+++, যে যায় বলুক আমি চাই এলিয়ানরা পৃথিবীতে আসুক নতুন তথ্য আদান প্রধান হবে, ধন্যবাদ,,,,,,।

অসাধারন টিউন এমন বিস্তারিত টিউন টেকটিউন্সে অনেক কম দেখা যায়,আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন সুন্দর একটি টিউন উপহার দেয়ার জন্য,
এলিয়েন আছে কি নাই তা বলা সত্যি কষ্টকর তাছাড়া ক্বোরআন ও হাদীসে এই সম্মন্ধে স্পষ্ট কোন ধারনা নাই,তবে এতটুকু বলতে পারি কোন কিছুই মানুষের ক্ষতি করতে পারবেনা যদি মানুষ নিজে নিজের ক্ষতিটা ডেকে না আনে কারন মানুষ আল্লাহর সবছেয়ে প্রিয় সৃষ্টি আর আল্লাহই আমাদের হেফাজত করবেন যদি আমরা সঠিক পথে থাকি,আল্লাহ পবিত্র ক্বোরআনে বলেছে,”দুনিয়াতে যত বালা মছিবত আসে তা মানুষের নিজেরই সৃষ্টি(অর্থাৎ কৃতকর্মের ফল)”।আল্লাহ আমাদের সবার হেফাজত করুন যেই কোন দুষ্ট চক্র হইতে,খারাপ কাজ হইতে-আমিন।

    আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য ধন্যবাদ আতাউর ভাই।

    আতাউর ভায়ের সুচিন্তিত এবং সুষ্ঠ মন্তব্য আমার বরাবরই খুব ভালো লাগে

    ধন্যবাদ

    খুব ভাল লাগছে টিনটিন ভাই আপনাদের মতন জিনিয়াসদের আমার মন্তব্য ভাল লাগে শুনে,আমি নিজেও জানি আমি ভাল কমেন্ট করতে পারিনা তারপরেও আপনাদের ভাল লাগছে শুনে আমারো ভাল লাগছে,ধন্যবাদ আপনাকে।

    আপনাকে কে বলল আপনি কমেন্ট করতে পারেন না?

অসাধারন আপনার উপস্থাপনা। আগামীতে আরো তথ্য ও প্রযুক্তিবহুল টিউন আশা করছি।

ভাই আমার তো মনে হয়, এলিয়েনদের মধে্যও আপনার মতো গুনী কেউ, টিউন লেখা শুরু করে দিয়েছে আমাদের নিয়ে !
আর বাংগালীদের নাম শুনে কত্তোই না ভয় পাচছে ওরা ! ঃ)
খুব ভাল লাগলো টিউন টা !

    মজার কমেন্ট করলেন। ভাল লাগল শুনে খুশি হলাম।

চমৎকার একট টিউনের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
ভাল থাকুন সবসময়

    এই মহাবিশ্বে আমরা কি একাই! পৃথিবী ছাড়া আর কোথাও কি আমাদের মতো কেউ নেই? তবে বিজ্ঞানীরা কিন্তু বলেছেন, আমরা একা নই। আমাদের মতো আরো অনেক বুদ্ধিমান প্রাণীই নাকি ছড়িয়ে আছে পুরো মহাবিশ্বে।

    যদি থেকেই থাকে আমাদের মতো প্রাণী তবে তারা কেমন? খায়ই বা কি? তাদের কি আমাদের মতোই বুদ্ধি আছে, নাকি স্রেফ তারা পোকামাকড়ের মতো বা গাধার মতো বোকাসোকা। এমনও তো হতে পারে তারা আমাদের থেকেও অনেক বেশি বুদ্ধিসম্পন্ন। তবে তাদের কি ইচ্ছা করে না এই বিশ্বের কোথায় কি আছে সেটি দেখে আসার। নিশ্চয়ই তাদের এই ইচ্ছা করে। নাহলে কিভাবে পৃথিবীতে হঠাৎ হঠাৎ দেখা যায় কিছু অদ্ভুত চেহারার জীব। চোখের পলকেই আবার তারা মিলিয়েও যায়। তারা কি তবে ভীনগ্রহের বাসিন্দা, এলিয়েন?

    আমরা প্যান্ট, শার্ট, জুতা, হাতঘড়ি কতো কিছুই তো পরি, কিন্তু এলিয়েনরা কি পরে? যারা এলিয়েন দেখেছেন তাদের ভাষ্য, এলিয়েনরা নাকি কিছুই পরে না। ব্যাপারটা একটু কেমন হয়ে গেলো না! প্রশ্ন জাগে, তবে ওরা কি এখনও কাপড় আবিষ্কার করতে পারেনি? তার অর্থ, এলিয়েনরা কি আমাদের চেয়ে বুদ্ধিতে এখনও পিছিয়ে আছে? ওরা কি তবে পৃথিবীতে কাপড় চুরি করতেই আসে! এটা কিন্তু ভাবা ঠিক হবে না। যে প্রাণী অন্য গ্রহ ঢুঁড়ে বেড়াতে পারে তার অন্তত কোথাও কাপড় চুরি করতে হয় না এটা সবাই বোঝে।

    অন্যদিকে, আরো যারা এলিয়েন দেখেছেন তাদের দাবি, এলিয়েনরা লম্বা লম্বা জোব্বা পরেই থাকে। তাদের মুখ ঢাকা থাকে লম্বা হুডে। তারা দেখতেও ভয়ংকর হয়। আবার কেউ কেউ বলেছেন ক্লোজ ফিটিং জাম্পস্যুট পরে থাকে এলিয়েনরা। ঠিক সুপারম্যানের মতো। আবার রোবটের মতো বিভিন্ন পদার্থের আবরণও নাকি তারা পরে থাকে।

    আমাদের মধ্যে যেমন মানুষ, পশু পাখি সব আলাদা এলিয়েনদেরও নাকি সেরকমই। এ পর্যন্ত পৃথিবীতে যতোগুলো এলিয়েন দেখা গেছে, তার মধ্যে সবচে বেশি দেখা গেছে জেটাস এলিয়েনদের। একেক জেটাস একেক রকম। তবে কোন গ্রহের জেটাস তার ওপর ভিত্তি করে এদের ভাগ করা হয়।

    বিস্তারিত পড়ুন http://www.mainuddin.tk/2010/07/blog-post_25.html
    http://www.mainuddin.tk/2010/07/blog-post_25.html

This content is currently unavailable
The page you requested cannot be displayed right now. It may be temporarily unavailable, the link you clicked on may have expired, or you may not have permission to view this page.

    @Rhythm: ২০১২ এর টিউন। তখন ফাইলগুলো ছিল। এখন আর নেই। 🙁

is it real ? 😐

হিউম্যান টাইপ এলিয়েনটার বর্ণনা জাফর ইকবাল এর sci-fi নীল মানব এর সাথে মিলে যায়। ধন্নবাদ ভাল এটা ত্যবহুল টিউনের জন্ন।

    @Shayon Khaled: বইটা পড়িনি। পড়ে দেখব। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

কোই মিল গ্যায়া ছবির জাদুর কথা মনে পড়ল।অমন ভালো এলিয়েন হলে মজা হবে

    @Ochena Balok: যদি সেই মাত্রার এলিয়েন হয় তবে ভাল হবে বলে মনে হয়না। 🙁

পবিএ কোরআন এ বলাই আছে মানুষ সৃষঠির সেরা জীব ।এলিয়েন কেমনে মানুষের চাইতে বেশী বুদধীমান হবে ।একমত হতে পারলাম না ভাই ।

onek valo hoyse, aro boro hole valo hoto. second pat chi,

    @himelkhan007: এখন আর আগের মত টিউন করার সময় পাইনা 🙁 । সময় পেলে আবার লিখার চেষ্টা করব। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

ভাই আমার “Battleship” ছবিটির কথা মনে পড়ে গেল, কি ভয়ানক আক্রমন তাদের..

    @sm alamin: আমিও দেখেছি। মুভিটা সুন্দরই। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

ধরি, এলিয়েন আছে… তাহলে

আজ পর্যন্ত যত এর ছবি দেখলাম সব গোলাকৃতি (মিরাকল)
তাহলে ওরা কি শুধু একটা গ্রহ থেকেই আসে??
আর যদি একাধিক গ্রহে এলিয়েন থাকে তাহলে ওদের মধ্যে যোগাযোগ আছে, হয়তবা প্রযুক্তিও শেয়ার করে

আমি কিন্তু পুরাপুরি বিশ্বাস করি এলিয়েন আছে কিন্তু অনেকের কথা/ছবিগুলা কেমন জানি ঘোলাটে মনে হয় ।

[হয়ত এমন একদিন আসবে যেদিন আমাদের পৃথিবীতে বসবাসের যায়গা থাকবে না, তখন আমরা অন্য গ্রহ দখলের যুদ্ধে নামব]

🙂 ধন্যবাদ টিউনারকে এত সুন্দর টিউনের জন্য 🙂

    @ইমরান: হয়ত আছে, হয়ত এসব কিছুই গুজব। কিন্তু সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায়না।

1950-2005 er chobi…..er por ki ar dkha jai nai UFO ???!!!! keno dekha gelo na !

    @Sushan: 😛 দেখা গেছে হয়ত। আমার কাছে যে ছবিগুলো আছে সেগুলা পুরাতন। অথবা এলিয়েনরা খরচ কমানোর জন্য পৃথিবী ভ্রমন ছেড়ে দিয়েছে। 😀

Great article. Its very much possible of having Alion total universe.

আমি বিশ্বাস করি এলিয়েন আছে কিন্তু মনে খটকা লাগে যখন মনে পরে এলিয়েন দের বিষয়ে কোরআন শরীফে কিছু বলা হয়ই নাই। যদি থাকতো তাহলে কোরআন শরীফে আল্লাহ উল্লেখ করে দিতেন…যাই হক এলিয়েন দের নিয়ে মাতামাতি করতে আমার মন্দ লাগে না… ধন্যবাদ টিউনারকে এমন সুন্দর টিউন করার জন্য।

    @Saikat: হয়ত ইঙ্গিত দেয়া আছে আর আমরা খেয়াল করছিনা। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

thanks bhai,shotti khubi jotil jinish janlam ,,aro kisu jante chai..vai bhoot asekina ta janaben please

    @poramon11: হুম। আইডিয়া খারাপ না। দেখি সময় পাই কিনা। হয়ত ভুত নিয়ে লিখব। 😛

তথ্যবহুল লেখা।

দারুন লাগল লেখাটি পড়ে , অনবদ্য , অসাধারন । স্বীকার করতেই হবে টিটির গত ৮- ১০ মাসের মধ্যে এত ভাকলো লেখা আর দুইটি পড়িনি । আমার তো অসাধারন লেগেছে । আমি মুগ্ধ ও মোহিত। পর পর দুইবার পোস্ট টি পড়লাম। প্রিয়তে নেওয়ার আর কোনো প্রয়োজনই নেই , আপনার প্রত্যেকটি পয়েন্ট মাথার মধ্যে গেঁথে আছে। বললে আবার রিপ্রোডিউস করে দিতে পারি। হয়তো শব্দ কিছু হেরফের হতে পারে । ভাইয়া আপনার পোস্ট কে নয় আপনাকেই প্রিয়তে নিয়ে নিলাম।

@সবুজ ভাই: আজব ব্যাপার। আমি লিখলাম এলিয়েন নিয়ে আর আপনার মজা লাগল সফটওয়্যার ওয়ার্ল্ড!!

mcb

কিছুদিন আগে পত্রিকায় দেখেছিলাম আমেরিকার area-51 নামের এক যায়গায় নাকি একটি এলিয়েনের মৃতদেহ রাখা আছে যা নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। যায়গাটি নাকি পৃথিবীর অন্যতম most secured place.

আপনার লেখাটা পড়ে ভাল লাগলো। এলিয়েন আছে কি নেই সেটা যেহেতু আজো সত্যিকারের প্রমান মেলেনি তাই ভাই, আপনার পোস্ট করা নিচের ছবি গুলো আমার একদমি বিশ্বাস হচ্ছে না। কারন যে ছবি গুলো আপনি পেয়েছেন, আপনি কি বুঝতে পারছেন যে এখানে সব কটি স্থানের নাম আমেরিকার বিভিন্ন State এর নাম। তাই আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এলিয়েন যদি এসেই থাকে তবে শুধু কি তারা আমেরিকাতেই আসে? মনে হচ্ছে, সব Super Heroes রা (Spiderman, Superman, Batman, Hulk etc.) এদেরকে আমেরিকাতেই বসবাস করতে দেখা যায় (ফিল্মে) তেমনি এলিয়েনরাও বুঝি আমেরিকা ছাড়া আর কোন স্থান চিনে না। I think USA always try to make the whole people of the world fool just like they once made the people of the whole world fool showing their landing on the moon which was really a fake incident made in America’s studios. Anyway, thanks for sharing this post.

    @ABS Liton: আপনার সাথে একমত,তবে জিন এর অস্তিত্ব আছে। জিনকেই ওরা এলিয়েন প্রমান করার চেষ্টা করছে ।আর জিনের কথা কুরআন শরীফ বলা হয়েছে , সুরা জিন পড়লেই জিন এর সর্ম্পকের ভালো ভাবে জানতে পারবেন ।
    আবার বেশি বেশি পইড়েন না তাইলে আবার জিন হাজির হইয়া যাইব :p

বেশ ভাল লাগলো। এই না হল স্টিকি পোস্ট!

আদনান ভাই অনেক ভাল লাগলো পোস্ট টি দেখে ধন্যবাদ।আমি সিওর যে আলিএন আছে।আমি অনেক দিন আগে আমার
এক ফ্রেন্ড একটা পত্রিকার অংশ আনল ওইটার মধ্যে দেখলাম যে বিজ্ঞানীরা ৬টা অক্ষর পেয়েছে অক্ষর গুলো কি তা আমি
জানিনা অনেক রিছারচ এর পর বিজ্ঞানীরা জানতে পারলো যে ২০০ বছর আগে এই অক্ষর গুলো পাঠানো হয়েছে পৃথিবীতে।
এর পর আবার শুনলাম যে বিজ্ঞানীরা আরেকটা সৌরজগত এর খোঁজ পেয়েছে ওই খানে যে পৃথিবী টা আছে ওই টা
আমাদের পৃথিবী থেকে ২.৪ গুন বড় আর ওই পৃথিবীতে যেতে নাকি ২কোটি ২৪ লাখ বছর লাগবে।

টিউনটি পড়ে মজা পাইলাম I ভাইয়া পিলিজ ভুত নিয়া লেখেন এটা আমাদের অনুরোধ রইলো :D:D:D

আমারও বিশ্বাস এই মহাবিশ্বের কোথাও না কোথাও প্রানের অস্তিত্ব আছে। আদনান ভাই আনার লেখা ভাল লাগল…