Quantcast
ADs by Techtunes tAds
ADs by Techtunes tAds

ফ্রিল্যান্সিং এ কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছানোর তিনটি মূল মন্ত্র… (আমার ৫০ তম টিউন, প্রায় ২১০০ শব্দের গিগা টিউন)

"ফ্রিল্যান্সিং"  ইদানীং কালের ইন্টারনেট ইউজারদের জন্য একটা হট টপিক, বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলোর জন্য। গত কিছুদিন যাবত ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক বিভিন্ন জরিপে আমাদের দেশ - এর বেশ অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশের মানুষের জন্যে এটি সৌভাগ্য যে আমরা এখন দেশে বসেই অন্য দেশের কাজ করে নিজেদের প্রয়োজনীয় টাকা আয় করতে পারছি, যদিও সবাই এ বিষয়ে সফল না। সফল না হওয়ার পিছনে সবচেয়ে বড় কারণ গুলোর মধ্যে ইংরেজি কম জানা, ধৈর্য না থাকা, রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাওয়ার চিন্তা(!!), নিজের ক্ষমতার বাইরের কাজ করতে চাওয়া(যে কাজ পারবেনা সেই কাজ করতে যাওয়া), কোন বিষয়ে শক্ত ভিত্তি নেই তবুও সে কাজ করতে যাওয়া ইত্যাদি অন্যতম।

ADs by Techtunes tAds

তবে রাতারাতি বড়লোক হওয়ার চিন্তাটা কেমন যেন বোকা টাইপের চিন্তাভাবনা, বাহিরের দেশের মানুষরা(উন্নত) অন্য দেশের মানুষকে(তুলনামূলক কম উন্নত) দিয়ে কাজ করাচ্ছে তাদের ব্যয় কমানোর জন্য। তারা কারো জন্য টাকার বস্তা নিয়ে বসে নেই, এক কাজে একাধিক মানুষ আবেদন করবে সেটাই স্বাভাবিক, আর এর মধ্যে আপনাকে ভেঙ্গে না পড়ে নিজের সেরাটুকু দিয়ে যান, সব কাজ যে আপনি পাবেন এমটি ভেবে বসবেন না। ভালো ভালো ফ্রিল্যান্সাররাও অনেক গুলো কাজে আবেদন করে খুব অল্প সংখ্যকই কাজ পায়। আপনি প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজেক্টে আবেদন করুন, ভালো কাজ পারলে এবং যে কাজ দিয়েছে তাকে বিভিন্ন  স্যাম্পল দেখিয়ে এবং ভালো ব্যবহার করে যদি আকৃষ্ট করতে পারেন তবেই আপনি কাজ পাবেন, তাছাড়া পাবেন না। মাসে মাত্র ৪-৫টা ভালো মানের কাজ করতে পারলেই কিন্তু আর কাজ করার প্রয়োজন হয় না।

লক্ষ

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং এর জন্যে কোন লক্ষ্য ঠিক না করেন তবে আপনি সফল হতে পারবেন না এটাই স্বাভাবিক, এর ব্যতিক্রমও যদি হয়ে থাকে তবে সেটা হবে কাকতালীয়। একজন ভ্রমণকারীকে যেমন ঠিক করতে হয় কোথায় ভ্রমণ করবেন অর্থাৎ তার গন্তব্য কোথায় অনেকটা তেমনি একজন ফ্রিল্যান্সারকেও ঠিক করতে হবে তার গন্তব্য কোথায়।

অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সারই বোঝেন যে ফ্রিল্যান্সিং এ নির্দিষ্ট লক্ষ বা গন্তব্য থাকা আবশ্যক। কিন্তু অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সারই যেটা বোঝেন না বা বুঝেও করেন না সেটা হলো কিভাবে গন্তব্য তৈরি করতে হবে এবং কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌছতে হবে।

নিজের ফ্রিল্যান্সিং লক্ষ্য তথা গন্তব্য খুব সহজ ভাবেই সেট করা এবং সেটা কায়েম করা খুব একটা কঠিন কাজ নয়। ইচ্ছাশক্তি, দক্ষতা আর লক্ষে পৌঁছানোর জন্যে মনোবল ও আত্মবিশ্বাস থাকলেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌঁছানো সম্ভব। যা কিনা যেকোনো ফ্রিল্যান্সারকে আরো একটিভ এবং সফল করে তুলতে পারে।

ফ্রিল্যান্সিং এ কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌঁছানোর তিনটি মূল মন্ত্র তথা ধাপ তুলে ধরা হল:

প্রথম ধাপ: ফ্রিল্যান্সিং এ আপনার নিজস্ব লক্ষ্য নির্ধারণ করে নিন...

আশ্চর্য হওয়ার কিছুই নেই, লক্ষে পৌঁছানোর জন্যে লক্ষ নির্ধারণই প্রথম মন্ত্র। আপনি কখনোই কোন লক্ষের দেখা পাবেন না যদি না আপনার নিজস্ব কোন লক্ষ থেকে থাকে।

তাই নিজের লক্ষ নির্ধারণই আপনার প্রথম কাজ। লক্ষ নির্ধারণ করুন, এক্ষেত্রে আপনাকে রিয়েলিস্টিক এবং সৎ হতে হবে। যা চান ঠিক সেদিকেই আগাবেন, এর অন্যথা করবেন না। লক্ষ পূরণের মাঝপথে থেমে গেলে মনোবল নষ্ট হবে। তাই ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা ভাবনা করুন, ফ্রিল্যান্সিং এ আপনার উদ্দেশ্য কি এবং লক্ষ কি। আপনি ফ্রিল্যান্সিং এ কতদুর এগোতে চান এর উপর নির্ভর করে আপনার লক্ষ সিলেক্ট করুন। লক্ষ নির্ধারণের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন:

  • ১.নিজের যোগ্যতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে লক্ষ নির্ধারণ করুন। ফ্রিল্যান্সিং এ যোগ্যতাই সব। যোগ্যতা না থাকলে ফ্রিল্যান্সিং করা কোন মতেই উচিত হবে না।
  • ২.নিজের সাধ্যমত লক্ষ নির্ধারণ করুন। সফলতা না পেলে ফুল টাইম ফ্রিল্যান্সিং এ নেমে পড়া কারও জন্যে সমীচীন নয়। তাই দিনে কতটুকু সময় আপনি আপনার লক্ষ পূরণে ব্যয় করতে পারবেন আর কোন কোন সময় আপনি পুরোপুরি লক্ষ পূরণে দিতে পারবেন সেটার উপর ভিত্তি করে লক্ষ নির্ধারণ করুন। মনে করুন, আপনি চাচ্ছেন শুধুমাত্র বড় বড় কাজ গুলো করতে যা করতে আপনাকে দিনে ১০-১২ ঘণ্টা ব্যয় করতে হবে।

টাইম ম্যানেজমেন্ট

ADs by Techtunes tAds

কিন্তু একজন ছাত্র, চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ীর জন্যে ১০-১২ ঘণ্টা ম্যাসেজ করা বেশ কঠিন ব্যাপার। তাও প্রতিদিনই সময় দেয়া সম্ভব নাও হতে পারে। তাই আপনি সাধ্যমত যতটুকু সময় ব্যয় করতে পারবেন তার উপর ভিত্তি করে লক্ষ নির্ধারণ করুন

অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সার যারা নিজেদের লক্ষ নির্ধারণ করে ফেলেছেন তাদের মধ্যে বেশ সামঞ্জস্য রয়েছে। বলা যায় তারা অনেকটা একই রকম লক্ষ নির্ধারণ করে। নিচে বেশ কিছু কমন লক্ষ দেয়া হল:

  • আমার ইনকাম বা আয় X টাকা পর্যন্ত করতে হবে।
  • নিজেকে এবং নিজের সংসারকে পুরোপুরি সাপোর্ট দিতে হবে, এজন্যে প্রয়োজনীয় অর্থ উপার্জন করতে হবে।
  • প্রতিদিন গড়ে কমপক্ষে X ঘণ্টা সময় দিতে হবে ফ্রিল্যান্সিং এর জন্যে।
  • ফ্রিল্যান্সিং এর পাশাপাশি নিজের পারসোনাল লাইফের জন্যে কম করে হলেও X ঘণ্টা সময় হাতে রাখতে হবে।
  • ফুল-টাইম ফ্রিল্যান্সার হবো এবং নিজের একটা ব্র্যান্ড তৈরি করবো।
  • X জনে ক্লায়েন্ট ম্যানেজ করতে হবে, যাদের থেকে নিয়মিত কাজ পাবো।
  • X সংখ্যক কাজ প্রতি মাসে করতে হবে।
  • ভালো একটা ফ্রিল্যান্সিং টিপ তৈরি করতে হবে।

বি.দ্রঃ Xকে আপনার কাঙ্ক্ষিত সংখ্যা দিয়ে পূরণ করুন

উপরের লক্ষগুলো ছাড়াও আপনার নিজস্ব আরো হাজারো লক্ষ থাকতে পারে। কারো একাধিক লক্ষও থাকতে পারে, এতে সমস্যা নেই। আপনি নিজের লক্ষ পূরণে অবিচল থাকুন, সফলতা আসবেই। তো আশা করি যাদের লক্ষ ছিলো না তারা লক্ষ নির্ধারণ করে ফেলেছেন 😉 ।

দ্বিতীয় ধাপ: নির্ধারণ করে নিন কি কি লাগবে আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ তথা সোনার হরিণ পেতে...

আপনি হয়তো একটি বা একাধিক লক্ষ নির্ধারণ করে ফেলছেন যে লক্ষে আপনাকে পৌছুতেই হবে। এবার ক্যালকুলেট করে ফেলুন আপনাকে কি কি করতে হবে লক্ষে পৌছুতে। কখনোই সহজ পথে এগোবেন না, ফ্রিল্যান্সিং এ অল্প বিদ্যা প্রয়োগ করতে গেলে কখনোই মহৎ কিছু সম্ভব না। তাই আপনার লক্ষে পৌছুতে যা যা দরকার ঠিক তেমন ভাবে সঠিক ও মোক্ষম পথে আগান।

ধরে নিলাম আপনার লক্ষ আপনি ফ্রিল্যান্স রাইটার হতে চাচ্ছেন। তো এজন্য প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে কি কি বিষয় আপনার জানা বাধ্যতামূলক, কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। এখানে ফ্রিল্যান্স রাইটার হওয়ার কিছু টিপস দেয়া হলোঃ

ফ্রিল্যান্স রাইটিং

  • ১.ফ্রিল্যান্স রাইটারদের কাজ হলো শুধু আর্টিকেল রাইটিং, ব্লগ রাইটিং, কন্টেন্ট ক্রিয়েশন, আর্টিকেল রিরাইট, বই লেখা ইত্যাদি, তারা অন্য কাজও করতে পারে, তবে যারা প্রফেশনাল তারা একটি বিভাগেই কাজ করে। ফ্রিল্যান্স রাইটার হতে হলে সবার আগে আপনাকে ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে, ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা না থাকলে ফ্রিল্যান্স রাইটার হতে পারবেন না।
  • ২.ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শুরুর আগেই নিজেকে ঝালিয়ে নিতে হবে, প্রথমে নিজে নিজেই টপিক বের করে লেখা শুরু করুন, প্রথমে সহজ বিষয়ে লিখুন, পরবর্তীতে নিজেকে কঠিন কঠিন বিষয়ে লেখার জন্য চ্যালেঞ্জ করুন, এতে আপনার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
  • ৩.লেখার সময় গ্রামারের প্রতি বিশেষ নজর দিবেন, নিজের পক্ষে অনেক সময় নিজের ভুল ধরা সম্ভব নাও হতে পারে,তাই বিভিন্ন গ্রামার চেকার টুল আছে, সেগুলো দিয়ে গ্রামার চেক করাতে পারেন।
  • ৪.প্রতিদিন কম করে হলেও ১০টি শব্দ শিখবেন ডিকশনারি থেকে, এতে আপনার শব্দের ভাণ্ডার বাড়বে।
  • ৫.ভালো মানের লেখকদের বই এবং ভালো ব্লগারদের বই নিয়মিত পড়ুন, এতে বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান বাড়বে।
  • ৬.আপনি যদি সাইড প্রফেশন হিসেবে ফ্রিল্যান্স রাইটিং কে নিতে চান তবে বড় প্রজেক্টে (৫০০ আর্টিকেল বা তারও বেশি) কাজ করবেন না। এতে যথাসময়ে কাজ শেষ করতে না পারার ঝুঁকি থাকে, সাধারণত ছোটখাটো প্রজেক্ট যেমন ৫-১০০ আরটিকেলের কাজ করবেন, আপনি কতদিনে শেষ করতে পারবেন তা নিজে প্ল্যান করে নিয়ে তারপর আবেদন করবেন।
  • ৭.প্রফেশনাল আর্টিকেল রাইটার যারা তারা সাধারণত বড় প্রজেক্ট গ্রুপে করেন, মানে কয়েকজন মিলে করেন এতে বেশ সুবিধা পাওয়া যায়।
  • ৮.কখনোই এমনটি ভাববেন না যে আপনি কপে পেস্ট করে আর্টিকেল জমা দিবেন আর তারা এর জন্য আপনাকে টাকা দিবে। যদি কপি পেস্ট আর্টিকেলেরই তাদের প্রয়োজন হত তবে তারা নিজেরাই কপি করে নিত, আপনাকে টাকা দিয়ে কপি পেস্ট নিশ্চয়ই করাবেনা তারা 😉
  • ৯.আর্টিকেল যদি ইউনিক চায়, তবে কখনোই কোন ধরনের সফটওয়্যার বা ট্রান্সলেটরের সাহায্যে রিরাইট করে সেটাকে ইউনিক বানাবেন না, কারণ এতে লেখা ইউনিক তো দূরে থাক, লেখার আগা মাথা কিছুই থাকে না, সেরকম লেখা গ্রহণযোগ্য না, কারণ এতে লেখার ভাশাগত ত্রুটি, শাব্দিক ত্রুটি সহ নানা ভুল থাকবে। সুতরাং যারা এ জাতীয় মনোভাব পোষণ করেন যে আরটিকেল রিরাইট করে দিবেন তারা মনোভাব সংশোধন করুন।
  • ১০.আর্টিকেল রিরাইট করার কোন প্রজেক্ট পেলে সেটা ম্যানুয়ালি করবেন, কোন সফটওয়্যার বা ট্রান্সলেটর ব্যবহার করবেন না, যদি করেন তাহলে টাকা হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা ০.০০%। আশা করি ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন।
  • ১১.সবসময় কোন নির্দিষ্ট ধরণের লেখার কাজ করার চেষ্টা করবেন, অনেকেই ভাবেন যে সব লেখা একই রকম, কিন্তু তা ভুল। অনেকে তাদের নিজস্ব ব্লগের জন্য লেখা চায়, অনেকে প্রিন্ট ম্যাগাজিনে দেয়ার জন্য লেখা চায়, অনেকে বই লেখার জন্য লেখা চায়। প্রতিটি ক্ষেত্রেই লেখার মান, কোয়ালিটি এবং স্টাইল ভিন্ন ভিন্ন, তাদের যে যেভাবে যার জন্য লেখা চায় সেভাবেই লিখতে হবে।
  • ১২.আবেদনের পূর্বে যে বিষয়ের আর্টিকেল রাইটিং এর আবেদন করেছে তার একটা ভালো মানের ইউনিকিউ স্যাম্পল দিয়ে দিন, কখনোই ভুলে করে হলেও স্যাম্পল দেখার জন্য কোন ওয়েবসাইটে যাওয়ার আবেদন করবেন না, এমনটি করলে, কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়, তবে আপনার যদি কোন পোর্টফলিও ওয়েবসাইট থাকে (যা কিনা সকল প্রফেশনাল আর্টিকেল রাইটারেরই রয়েছে) তবে সেটাতে যাওয়ার জন্য বলতে পারেন, নিজের পোর্টফলিও ছাড়া অন্য কোন কিছুর লিঙ্ক দিবেন না।
  • ১৩.নিজেকে কখনোই তুচ্ছ মনে করবেন না, আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীরা যত ভালো মানের লেখকই হন না কেন নিজেকে সবসময় তাদের সমকক্ষ মনে করবেন।
    কারণ তারাও এক সময় আপনার মতই ছিল, ধীরে ধীরে তারা উন্নতি করেছেন।
  • ১৪.নিজেকে লেখার মাঝে উদার করে দিবেন, ভালো মানের লেখা পেলে একি বায়ারের কাজ থেকে পরবর্তীতে আরো কাজ পেতে পারেন।
  • ১৫.কোন কাজ পেলে সেটাকে নিয়ে অবহেলা করবেন না, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আপনার কাজ শেষ করে  সেটাকে প্রুফ-রিড করুন অথবা গ্রামার চেকার এবং স্পেল চেকার দিয়ে লেখার ভুল সংশোধন করুন।
  • ১৬.অনেক সময় কঠিন বিষয়ে লেখতে হতে পারে, তখন আপনার উচিত সে বিষয়ে কিছুটা পড়ালেখা করে নেয়া, এতে লেখতে সুবিধা হবে, যে বিষয়ে লিখবেন সে বিষয়ে কোন ধারণা না থাকলে কখনোই ভালো লিখতে পারবেন না। তাই যে বিষয়ে লিখবেন সে বিষয়ের বিভিন্ন ফোরাম এবং ব্লগ ভিজিট করুন এবং পড়ুন, এতে আপনার ধারণা ক্লিয়ার হবে।
  • ১৭.কখনোই লেখার মাঝে নিজের মতামত তুলে ধরবেন না। যেমন ধরুন আপনি এমন প্রজেক্ট পেয়েছেন যেঁটাতে বলা হল মাইকেল জ্যাকসনকে নিয়ে লিখতে, কিন্তু আপনি মাইকেল জ্যাকসনকে পছন্দ করেন না 😉 আর  সে কারণে যদি আপনি আপনার লেখার নিজের মতামত তুলে ধরেন যে আমি তাকে পছন্দ করি না, সে এই করসে, সেই করসে, তাহলে কিন্তু আপনার প্রজেক্ট গ্রহণযোগ্য হবে না, তাই লেখার সময় পক্ষপাতিত্ব করবেন না।
  • ১৮.ছোটখাটো প্রজেক্ট হলে যেমনঃ ১০০০-২০০০ শব্দের লেখা হলে, এবং কোন জরুরী বিষয়ে লেখা হলে আগে খাতায় খসড়া করে নিয়ে পড়ে টাইপ করবেন।

অর্থাৎ মূল কথা হলো আপনি যে লক্ষে পৌছুতে চাচ্ছেন সে লক্ষ অর্জন করতে আপনাকে চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে কিভাবে এগিয়ে যেতে হবে এবং কি করতে হবে সেটা নির্ধারণ করুন। আবারও বলছি শর্টকাট পথে এগোবেন না, এটা নিজের পায়ে নিজেই কুড়োল মারার সমান। সঠিক দিক নির্দেশনা নিয়ে সঠিক পথে আগানোর জন্যে কি কি করা উচিত এবং করতে হবে তা ঠিক করে ফেলুন। ধরে নিলাম আপনি সেটা করে ফেলেছেন, এবার পরবর্তী ধাপে যাওয়া যাক।

তৃতীয় ধাপ: লক্ষ পূরণে করণীয় কাজগুলো সম্পাদন করুন...

আপনার ফাইনাল ধাপ এটাই, আপনার লক্ষে পৌছুতে যা যা করতে হবে সেগুলোকে বাস্তবতায় রূপ দিতে হবে, অর্থাৎ আপনাকে একশন নিতে হবে। অনেকেই হয়তো জানেন কি করতে হবে এবং কিভাবে করতে হবে কিন্তু কখনোই করার চেষ্টা করেন নি, তাই সফলতার মুখ দেখতে হলে আপনাকে অবশ্যই দরকারি পদক্ষেপগুলো হাতে নিতে হবে।

ADs by Techtunes tAds

সবচেয়ে ভালো হয় আপনি নির্দিষ্ট একটা সময় ঠিক করে ফেলুন আপনার লক্ষ পূরণের জন্যে। পরিমাণ মতোই সময় সিলেক্ট করবেন। সময় সিলেক্ট করা হয়ে গেলে কাজে নেমে পড়ুন, ঢিলেমির রেশও যেন না থাকে। সবসময়ই আপনাকে নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে হবে প্রয়োজনীয় কাজগুলো করার জন্যে। শিডিউল ছাড়া কাজ করলে সেটা সময় মত না হওয়াটাই স্বাভাবিক, তাই আপনাকে আপনার প্রয়োজনীয় কাজগুলো করার জন্যে শিডিউল তৈরি করে নিতে হবে। শিডিউল মোতাবেক কাজ করতে হবে এবং কাজ সম্পাদন না হওয়া পর্যন্ত লেগে থাকতে হবে বদ্ধপরিকর-ভাবে।

আপনি নিজেই নিজেকে কিছু প্রশ্ন নিয়মিত করতে পারেন, অথবা এমন কোন স্থানে লিখে ঝুলিয়ে রাখতে পারেন যেখানে আপনি সচরাচর থাকেন (যেমনঃআপনার কম্পিউটারের আশেপাশে)। নিজেকে যে প্রশ্নগুলো করতে পারেন:

  • আমি কি আমার লক্ষ পূরণের জন্যে সঠিক পথে এগোচ্ছি?
  • আমার আগানোর গতি কি আমাকে সময় মত লক্ষে পৌঁছে দিতে সক্ষম?
  • আমি লক্ষের কতটা কাছাকাছি এসেছি?
  • আমার লক্ষ কি আসলেই আমার জন্যে মানানসই নাকি আমাকে নতুন লক্ষ সিলেক্ট করতে হবে?
  • আমাকে লক্ষে পৌঁছানোর জন্যে আর কি করার আছে?

প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন এবং নিজেই নিজেকে যাচাই করুন... আশা করি সফলতা লাভ করবেন আপনার ফ্রিল্যান্সিং লাইফে আর আপনার সফলতার গল্প আমাদের শোনাবেন... 😀

লেখাটি পিপীলিকা ব্লগেও প্রকাশিত

ADs by Techtunes tAds

আমি ডিজে আরিফ। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 8 বছর 4 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 60 টি টিউন ও 1544 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।

আমি আরিফ, সাধারণ একজন আরিফ! চাই অসাধারণ কিছু করতে, সম্ভব কিনা জানিনা কিন্তু ইচ্ছাশক্তির বলে অনেক কিছুই করতে চাই। ব্লগিং - এর সাথে পরিচয় খুব বেশি দিনের না, তবুও বিষয়টাকে ব্যাপকভাবে উপভোগ করছি। ভালো মানের ব্লগার হওয়ার ইচ্ছা আছে। বর্তমানে আমি দশম শ্রেণীতে ঢাকার স্বনামধন্য বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছি।


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কিত তথ্যগুলো বিস্তারিত ও সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার জন্য ধন্যবাদ। আমার মত অনেকেরই কাজে লাগবে।

    আপনাকেও ধন্যবাদ। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করেছি সুন্দর ভাবে উপস্থাপনের জন্যে…

আরিফ ৫০তম টিউন শুভেচ্ছা 🙂 রইলো। ঝড়োগতিতে ৫০০ টিউনের চেয়ে মানসম্মত ৫০টি টিউন অনেক ভালো। যেমন তোমার টিউনগুলো

৫০ তম টিউনের জন্য আপনাকে আন্তরিক শুবেচ্ছা …… 🙂 😀
আপনার এই কথাটি সবার জন্য বিশেষ করে আমাদের মতন নতুন টিউনারদের জন্য অনুসরনীয় ………
"তবে আমার লক্ষ ছিল কোয়ান্টিটি বা টিউনের সংখ্যা না ভালো মানের কোয়ালিটি টিউন করা "
আর আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত বড় টিউন আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য …………

    পুরোটা টিউন কষ্ট করে পড়েছেন বলে অনেক অনেক ধন্যবাদ… 😀 শুভেচ্ছা গ্রহণ করলাম… আপনাকেও আমার তরফ থেকে শুভেচ্ছা।

আপনাকে শুভেচ্ছা for 50th post
Informative post..

    শুভেচ্ছা গ্রহন করলাম মাসুম ভাই, আপনাকেও শুভেচ্ছা…

আরিফুল ইসলাম পলাশ ভাই শুভেচ্ছা ৫০ তম টিউন এর জন্য……………

    আপনিও আমার তরফ থেকে শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন রাসেল ভাই…

অনেক শুভেচ্ছা রইলো আরিফ ভাই ৫০ তম টিউনের জন্য ।

    আপনার শুভেচ্ছা গ্রহণ করলাম রাজিব ভাই… আপনিও আমার তরফ থেকে শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন।

৫০তম টিউনের শুভেচ্ছা! 😀

    শুভেচ্ছা গ্রহণ করলাম হাসান ভাই… ধন্যবাদ।

আপনাকে ৫০ তম টিউন এর শুভেচ্ছা। কি দিয়ে শুভেচ্ছা পাঠাবো বুজতাছি না, তাই আপনাকে একটা 🙂 উপহার দিলাম।

আপনাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ৫০ তম টিউন এর জন্য……।আর আপনার আগের সকল টিউন এর মত এই টিউনটি ও তথ্য বহুল হয়েছে ।তাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। এত সময় নিয়ে সুন্দর করে টিউন টি গুছিয়ে লিখার জন্য।

    শুভেচ্ছা গ্রহণ করলাম শরিফ ভাই… ধন্যবাদ আপনাকে…

সর্বোচ্চ তম ধৈর্য ছাড়া কাজ হয় না 🙁
হাফ সেঞ্চুরীর পোষ্টে স্বাগতম। 😀

চমৎকার !!! আপনি পারবেন ।নিশ্চয়ই পারবেন অনেক ভালো মানের ব্লগার হতে।আপনার লেখার হাত সত্যিই ভালো। আর যারা উপরের দিক-নির্দেশনা গুলো মাথায় রাখবে তারাও পারবে ।
কাজে লাগবে টিউনটি । প্রিয়তে ।

ফ্রিল্যাঞ্চিং এর ক্ষেত্রে লক্ষ্য ও লক্ষ্য পূরণে সামর্থ থাকা অত্যান্ত জরুরী।আমাকে প্রায়শ অনেকে ফোন করে,ফেসবুকে মেসেজ পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করে অনলাইনে টাকা কামানোর কথা।ফ্রিল্যাঞ্চিং এর কথা বললে আমি আগে বলি কি বিষয়ে অভিজ্ঞ?যদি নতুন হয় তাহলে আগে নির্দিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে বলি।এখন থেকে কেউ জিজ্ঞেস করলে ডিজে আরিফ বরাবর রেফার করা হবে। 😆 অভিনন্দন ৫০ তম টিউন সম্পন্ন করায়। 😀

    হেহে… এরকম বিড়ম্বনায় পড়তে হয় অনেককেই… আপনাকে ধন্যবাদ নাইম ভাই।

অনেক অনেক শুভকামনা ডিজে আরিফ 😀

অনেক…অনেক…শুভ কামনা ডিজে আরিফ 😀

    অনেক অনেক ধন্যবাদ আলমাস… কলেজে কেমন লাগছে?

Sorry! Polash vai 😛 Late kore tument korar jonno. 50 tomo tune e 50ti shuvo kamona roilo tomar jonno. Onek Boro how & Jole utho apon soktite. (via opera mini)

    ইনশাল্লাহ, বেপার না আমি নিজের শক্তিতে জ্বললে তোমারে ছাড়মু না, তোমারে নিয়াই জলুম… 😈

অনেক অনেক শুভ কামনা তোমার প্রতি ……।। যদিও এই টিউন টি এখন আমার সবচেয়ে দরকার ছিল ।।আর অভিনন্দন তোমার ৫০ তম টিউন এ > আচ্ছা বল তো ৫০ সংখ্যাটা কেন স্পেশাল ?

অনেক বড় লেখা। অসাধারন হয়েছে , এই লেখা পড়ে তবুও যদি কারো টনক নড়ে। লেখায় বানানে কিছু ভুল আছে আশা করি সময় করে সংশোধন করবে।

    স্পেল চেকিং এর আগে একটা ড্র্যাফট সেভ করেছিলাম, সেটাই ভুলে পাবলিশ করে দিয়েছি…এখন ঠিক আছে… আপনাকেও ধন্যবাদ তাওহিদ ভাই…

ডিজে আরিফ ভাই আপনাকে আমি ৫০ তম টিউনের জন্য স্বাগতম কিভাবে জানাবো সেটাই…….

জটিল একটা টিউন করেছেন! বেশ কিছুদিন থেকে ফ্রিলান্সিং এ যোগ দিয়েছি তো তাই আমার বেশ প্রয়োজন ছিল এই কথা গুলোর।

আপনাকে ধন্যবাদ

    আপনাদের কাজে লাগলেই টিউন সার্থক… আপনার সফলতা কামনা করছি ফ্রিল্যান্সিং এ…

carry on bro…..৫০ তম টিউনের জন্য অভিনন্দন…….

সরাসরি প্রিয় তেঁ ট্রান্সফার।আপনার টিউন নিয়ে বলার কিছু নাই।অসাধারন।

ফাটিয়ে দিয়েছিস। ৫০টা কেক এর শুভেচ্ছা।

    ধন্যবাদ দোস্ত… কেক একা খামু না… তোরে নিয়া খামু… আয়া পর…

হাফ সেঞ্চুরির শুভেচ্ছা। আরো এগিয়ে যাও এই শুভ কামনা রইলো।

    শুভেচ্ছা গ্রহণ করলাম আকাশ ভাই… ধন্যবাদ।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের হয়ে মাঝে মাঝে এমন ৫০ করে দিতেন বড় ভাল হত। অভিন্দন আপনার ৫০ তম টিউনের জন্য

শুভেচ্ছা।
নামের জায়গায় নাম তো আছেই। টিউনের শিরোনামে নাম লেখাটা কি উচিত? আশা করি মাইন্ড করবে না।

    লিখাটাকি দোষের? 😉

    না অবশ্যই। তবে বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে। তবে এতে অনেকে এটাকে নিজেকে আলাদা দেখানোর চেষ্টা বলে ভাবলেও ভাবতে পারে।

আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি আপনার হাফ সেঞ্চুরীর জন্য। আর টিউন নিয়ে কিছু বলার নেই। অসাধারণ লিখেছেন।

    আপনাকে ধন্যবাদ অন্ত ভাই… আসল নাম বললাম না… 😉

অভিনন্দন ডিজে আরিফ !
কথা হলো, এখনো আমরা কোন মিউজিক রিলেটেড টিউটো পেলাম না এই চমৎকার টিউনারের কাছ থেকে ! আর কত দিন ? তারাতারি fl studio, pro tools নিয়া কিছু দুর্দান্ত টিউন আশা করছি 🙂 !

    সামনে পরিক্ষা… শেষ হোক… তারপর নাহয় সেগুলো নিয়েও করবো… FL Studio নিয়ে শীঘ্রই কিছু করতে পারি… অপেক্ষায় থাকুন 😈

ধন্যবাদ ভাইয়া। আপনি অনেক সুন্দর লিখেন । আরও সুন্দর সুন্দর টিউন করবেন যেন আমার মত গাধারা কিছু শিখতে পারে ।

    ধন্যবাদ আপনাকে… নিজেকে কখনোই গাধা মনে করবেন না… সকলের মধ্যেই প্রতিভা আছে…

অসাধারন টিউন ! শুভকামনা রইলো । ।

আশা করি ১০০ টা করতে বেশি টাইম লাগবে না… 😀

আরিফ তোমাকে দেখে আমার সত্যি ই হিংষা হয়।কিছু কিছু টিউনার আছে আমি শুধুমাত্র কখন তারা টিউন করবে সেই অপেক্ষায় থাকি।তাদের মদ্ধে তুমি একজন।তোমার এই টিউন টা খুবি উচু মানের সাহিত্তিক দের লেখার মত হয়েছে।একটি সঠিক দিক নিরদেশনা ই পারে একজ়ন মানুষকে তার কাংখিত লক্ষে নিয়ে যেতে।আমার কথা যদি বলি আমি নিজেই তোমার একটি টিউন পড়ে উপকৃ্ত হয়েছি।২ মাস কাজ করে ওডেস্কে আমার ফিডব্যক ৮ টি।আমার ও ইচ্ছা আছে নতুন দের জন্য কিছু করা।আমার খুদ্র অভিজ্ঞতা গুলু নিয়ে ই অতি শিঘ্র আমি কিছু টিউন লেখা শুরু করব।

    ইনশাআল্লাহ্‌ আশা করছি শীঘ্রই আপনার টিউনগুলো পাবো… অপেক্ষায় রইলাম… ধন্যবাদ 😆

ওফ অসাধারন একটা টিউন। খুবি গোছানো লেখা, ফ্রিল্যান্সিং এ যারা আগ্রহি তাদের জন্য তোমার এই লেখাটা টনিকের মতো কাজ করবে। কাল থেকে নেট কানেকশন ছিল না তাই এতো সুন্দর টিউনটা এত দেরি তে পড়তে হল। আর হ্যাঁ অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো ৫০ তম টিউন এর জন্য। লিখে যাও দুরন্ত গতিতে। ভালো থাকো ভাইয়া।

    আরে সুমন ভাইযে… আপনার শুভেচ্ছা গ্রহণ করলাম… আপনাকেও শুভকামনা জানাচ্ছি…

৫০তম টিউনের জন্য অভিনন্দন আপনাকে,
দোয়া রইল আপনার আগামি পথচলা যে সুন্দর হয়-ধন্যবাদ।

চমৎকার টিউন।অনেক অনেক শুভেচ্ছা ৫০ তম টিউন এর জন্য।ধন্যবাদ ভাইয়া।

    শুভেচ্ছা গ্রহণ করলাম জুয়েল ভাই… ধন্যবাদ।

ওরে ডিজে !!!! বাজিমাত করে দিছো ভাই !!! 😉 আসলে যে বিসয়গুলো উল্লেখ করছো সবই অনেক গুরুপ্তপূর্ণ এবং একজন ফ্রিলান্সার কে মানতেই হবে। নয়তো এই লাইলে এসে কোন ফায়দা নিতে পারবে না। "একজন ফ্রিলান্সার নিজেই তার নিজেস্ব ব্রান্ড" এই কথাটিকে যে মনে ধরাতে পারবে, ইনশাআল্লাহ সে এই লাইনে খুব শীঘ্রই সফলতা পাবে। 🙂

ফ্রীরান্সিং নিয়ে কোথাও লিখা হলে অনেক কিছুই মন্তব্যে বলতে ইচ্ছে হয়, বলতামো কিন্তু কয়েকদিন থেকে হাতে প্রচন্ড ব্যাথার কারনে মন্তব্যে আর বেশি কিছু লিখলাম না।

তোমার ৫০তম টিউনের জন্য শুভকামনা এবং ৫০টা পাপ্পি। 😆 😉

bhai eto mohot ekta uddok neyar jonno thanx.freelancing e jara notrun tara dik haray fele.so apner tune ti asa kori 123% kaj korbe.insallah

অভিনন্দন। টেকটিউন প্যানেলে দেখলাম আপনি একজন মডারেটর। ভই পাইসি, না জানি আগে কোন বেয়াদবি করে ফেলসি কিনা।

ইয়ে ভাইজান, ২১০০ শব্দ যদি গিগাপোস্ট হয় তাইলে ৪০০০ শব্দের পোস্ট কি হবে?
লিঙ্কু http://techtunes.com.bd/hardware/tune-id/75859/

:">

    মডারেটিং এর ব্যাপারে পার্সোনাল সম্পর্ক কেমন সেটা দেখা হয়না… সবার সার্থে যা সঠিক সেটাই করা হয়, আগে ভুল করে থাকলেও সেটা মডারেটিং এ কোন তারতম্য করবেনা… 😉
    তাইলে অইডা ২১০০ শব্দ গিগা হলে ৪০০০ শব্দ ২ গিগা… কি কন? 😈

আপনি খুব ভালো মানুষ ।

চমৎকার টিউন।অনেক অনেক শুভেচ্ছা ৫০ তম টিউন এর জন্য।ধন্যবাদ ভাইয়া।

Yeas good

Congratulations for 50th tune. It’s very useful tune. Hope i will read your 100th tune soon. All the best

শুভেচ্ছা। আপনার স্বপ্ন সার্থক হোক।

onek valo laglo tune ta pore.onek tips pelam.dhonnobad

ভালোই লাগল।

Very nice tune, But ajkal beparta onek common hoye giese, new freelancer der ja dorker ta holo easy way to earn on internet……….hope try to do something.

সোজা প্রিয়তে………………ফ্রীল্যান্সিং শিখার খুব ইচ্ছা আছে। আশা করি তোমার হেল্প পাবো। যাই হোক ৫০তম টিউনের শুভেচ্ছা গ্রহন কর। ভার্চুয়াল লাল গোলাপের শুভেচ্ছা।

ফ্রিল্যান্সিং এ ডুকে ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসেছিলাম কিন্তু আপনার এই গিগা টিউন পরে আবার ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ করার শক্তি পেলাম । ধন্যবাদ এত সুন্দর টিউন উপহার দেওয়ার জন্য।

সত্যিই অসাধারণ।
যদিও আমি নিজে ফ্রীল্যান্সিং এর দিকে এখনও যাই নি, কিন্তু ভবিষ্যতে যাওয়ার ইচ্ছা আছে।
আমার ব্লগ এ ৩ জন ফ্রীল্যান্স ব্লগার লিখেন, তাদের দেখলেই বুঝা যায় অন্য দেশের মানুষ গুলো এই সেক্টর কে কত গুরুত্ব দিচ্ছে। আশা করি আমরাও একদিন এই ক্ষেত্রে বড় অংশ দখল করে নিব।
ধন্যবাদ।

ফ্যানটাকুলাস, মন Blowing

Many Many Thanks to Arif …Its a great sharing to know about Freelance works…

Many Many Thanks to Arif

ধন্যবাদ আকাশ ভাই…