Quantcast

হ্যাকিং কত প্রকার? কম্পিউটার হ্যাকিং কি?

0 0 0 0 0
0 টিউমেন্টস 381 দেখা প্রিয়
হ্যাকিং

আসসালামু আলাইকুম

আজকে হ্যাকিং কত প্রকার এবং কম্পিউটার হ্যাকিং নিয়ে আলোচনা করব।

হ্যাকিং কত প্রকার?

হ্যাকিং কত প্রকার তা নিদিষ্ট নয় তবে কয়েক প্রকার হ্যাকিং হচ্ছেঃ আইডি হ্যাকিং,মোবাইল হ্যাকিং,ব্লুটুথ হ্যাকিং,ওয়েবসাইট হ্যাকিং,কম্পিউটার হ্যাকিং,সফটওয়্যার হ্যাকিং,হার্ডওয়্যার হ্যাকিং,os হ্যাকিং,সি সি ক্যামেরা হ্যাকিং,ক্রেডিট কার্ড হ্যাকিং,ওয়াইফাই জোন হ্যাকিং,স্যাটালাইট হ্যাকিং, রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি হ্যাকিং,Reverse Engineering,কর্পোরেট সিক্রেট হ্যাকিং,ফোন নেটওয়ার্ক হ্যাকিং,network routers আর switches,লাইভ হ্যাকিং,hacking into cars,compromising TV,Hijacking houses,atm booth হ্যাকিং,automotive হ্যাকিং,জীব হ্যাকিং,সিম ক্লোনিং,মিশ্র হ্যাকিং আরো হাজার প্রকার হ্যাকিং আছে।

কম্পিউটার হ্যাকিং কি?

কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার কিংবা সফটওয়্যার কিংবা কোন ফাংশন মোডিফাই করাই হচ্ছে কম্পিউটার হ্যাকিং।

কম্পিউটারে কি কি মেথড ব্যবহার করে এক্সেস নেয়া যায়?

এটা নিদিষ্ট নয় কারণ প্রতিদিন কম্পিউটার হ্যাকিংয়ের জন্য নতুন নতুন মেথড বের হচ্ছে, হাজারো মেথড আছে কম্পিউটারে এক্সেস নেয়ার।

কম্পিউটারে এক্সেস পাইলে কি কি করা যায়?

সব কিছুই করা যায়, যেকোন কিছু add,edit,delet,install,uninstall,copy,move,hide,open,internet browsing,password change,password চুরি সব কিছুই করতে পারবেন।

কম্পিউটারের ভিরতের কি কি হ্যাক করা যায়?

কম্পিউটারের ভিতরের সব কিছুই হ্যাক করা যায়, যেকোন সফটওয়্যার,পাসওয়ার্ড সব কিছুই।

কম্পিউটার হ্যাকিংয়ের কয়েকটি মেথড কি কি?

কম্পিউটার হ্যাকিংয়ের মেথড নির্ভর করে টার্গেটের উপর আপনার যদি টার্গেট হয় কম্পিউটারের os তাইলে os হ্যাকিংয়ের মেথড ফলো করতে হবে আর আপনার যদি টার্গেট হয় কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড তাইল পাসওয়ার্ড হ্যাকিংয়ের মেথড ফলো করতে হবে।

আমি কয়েকটি কম্পিউটারের হ্যাকিং টার্গেট বলে দিচ্ছি,টার্গেট যখন কম্পিউটার তখন যেভাবে এক্সেস নিবেন (rat/keylogger attack,virus attack,os hacking,remotely access,remotely login password bypass,physically login password bypass,metasploit attack,Xenotix XSS Exploit Framework)

টার্গেট যখন কম্পিউটারে কোন সফটওয়্যার কোন ব্লাউজার (operamini,firefox কিংবা অন্য) কিংবা imo,whatsapp,messenger
(software password bypass,browser vulnerablity)

টার্গেট যখন ওয়াইফাই (wifi jam,wifi login password crack)

আরোও কিছু মেথড (কম্পিউটার এর Active Password না জেনে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন,NetBios hacking,Server based access,folder password bypass,same lan computer hacking)

আমি যেসব মেথড বললাম সেগুলো ছাড়াও আছে আরোও অসংখ্য মেথড। কম্পিউটার হ্যাকিংয়ের প্রতেক মেথড ব্যবহার করা যায় আবার বিভিন্ন পদ্ধতি তে।অনেকটা এরকম যে টার্গেট যখন কম্পিউটারে এক্সেস নেয়া আর মেথড যখন virus attack তখন বিভিন্ন ভাবে এই virus কম্পিউটারে প্রবেশ করানো যায়।
যেমনঃ আপনি কোন সফটওয়্যারে virus বাইন করে দিলেন এখন সফটওয়্যারটি ইমেইল স্ক্যামের মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করালেন কিংবা আপনি কোন পিকচারে virus বাইন করলেন এবং সরাসরি অন্যের কম্পিউটারে দিয়ে দিলেন।

আপনি যদি ভাইরাস এটাক করতে চান তাইলে আপনাকে জানতে হবে এই ভাইরাস কত প্রকার এবং কি কি প্রোগ্রামিং ব্যবহার করে ভাইরাস বানানো যায়? ভাইরাস কম্পিউটারের কি ক্ষতি করে? কোন ভাইরাস কি ক্ষতি করে?

remotely computer access নেয়ার মধ্যেও আছে অনেক মেথড, অনেক মেথড ব্যবহার করে রিমোটলি কম্পিউটারে এক্সেস নেয়া যায়।আবার প্রতেকটা মেথড ব্যবহার করা যায় বিভিন্নভাবে।

software cracking একটা অনেক বড় পার্ট এবং অনেক মজারও।

server base access: আপনার টার্গেট যখন সার্ভার তখন server চেক করে দেখুন server এর সাইটগুলোতে কোন vulnerability আছে কিনা যদি কোন ভালনাবিলিটি পেয়ে যান তাইলে ভালনাবিলিটি এক্সপ্লয়েট করার পর রুট এক্সেস নিয়ে symlink করে আপনি server এ এক্সেস নিতে পারবেন।আর সার্ভারে এক্সেস পাইলে আপনি কম্পিউটারের website, files, Software’s ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারবেন।

তাই উচিৎ কম্পিউটার হ্যাকিংয়ের মেথডগুলো এক এক করে জানা এবং সেই মেথডগুলোর বিস্তারিত জানা। কম্পিউটারের হ্যাকিংয়ের টার্গেট অনুযায়ী এক এক করে মেথডগুলো শিখা, টার্গেট ঠিক করে শিখুন সহজ হবে।গুগলসার্চ করুন আপনার টার্গেট অনুযায়ী টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন।

কোন কম্পিউটারে আঘাত করার আগে আপনাকে প্ল্যান করে নিতে হবে যে আপনি কম্পিউটারের কোন অংশকে টার্গেট করছেন,টার্গেট সম্পূর্ণ হইলে আপনার লাভ কি কি,কি কি ইনফরমেশন আপনার হাতে আসবে।

কোন কম্পিউটার হ্যাক করার জন্য আপনাকে তারপর information gathering করতে হবে। আপনি যদি নাই জানেন যে আপনার ভিকটিম কোন os ব্যবহার করে,কোন firewall ব্যবহার করে,কোন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তাইলে আপনি আপনার কাজে সফল হবেন না।

information gathering এর পর আপনাকে খুঁজতে হবে যে আপনার ভিকটিমের কম্পিউটারে কি কি ভারনাবিলিটি থাকতে পারে,এক এক করে প্রত্যেকটা জিনিস চেক করতে হবে। port scanning,vulnerability scanning,vulnerability exploiting,password cracking এইসব এক এক করে চেক করুন।

আপনি যদি কোন কম্পিউটারে এক্সেস পেয়ে যান তাইলে আপনার কাজ হবে একাধিক backdoor তৈরি করে রাখা। যেন যদি কোন কারণে আপনার ভিকটিম বুজে যায় যে তার কম্পিউটার হ্যাক হইছে তারপরেও ভবিষ্যতেও আপনি যেন আবার এক্সেস নিতে পারেন।

যেসব সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেনঃ
Nmap,Nessus Remote Security Scanner,John the Ripper,Nikto,SuperScan,p0f,Wireshark (Formely Ethereal),Yersinia,Eraser,PuTTY,LCP,Cain and Abel,Kismet,NetStumbler,Hping

একজন বেসিক লেভেলের কম্পিউটার হ্যাকার বেসিক লেভেলের কম্পিউটার হ্যাকিং মেথড ব্যবহার করে হ্যাকিং করে যেমন কম্পিউটারের লগিন পাসওয়ার্ড হ্যাক আর একজন মিডিল লেভেলের হ্যাকার মিডিল লেভেলের হ্যাকিং মেথড ব্যবহার করে হ্যাকিং করে যেমন ভাইসার এটাক আর একজন এডভান্স লেভেলের হ্যাকার এইসব মেথড এবং আরোও নতুন নতুন মেথড নিজেই বানায়, নিজেই কিলগার বানায় এটাক করে,নিজেই ভাইরাস বানায় এটাক করে,নিজেই oday এক্সপ্লয়েট করে।

ওয়েববেস হ্যাকিং এ সবার এত আগ্রহ কেন জানেন? কারন চারপাশেই শুধু ডিফেসিং এর শোঅফ দেখে সবাই ওয়েববেস হ্যাকিং এ আগ্রহী হয়ে যায়। এমন কি ওয়েববেস হ্যাকিং এর টিউটোরিয়াল,ইবুক ও বেশি। ডিফেসিং যেমন ওয়েববেস হ্যাকিং এর সবটা নয় শুধু মাএ একটি পার্ট ঠিক তেমনি ওয়েববেস হ্যাকিংও হ্যাকিং এর একটি পার্ট মাএ। কম্পিউটার বেস হ্যাকিংও ঠিক তেমনি হ্যাকিং এর একটি পার্ট মাএ। কম্পিউটার বেস হ্যাকিং যে মানুষ করে না তা কিন্তু নয়। অনেকেই কম্পিউটারবেস হ্যাকিং করে কিন্তু শোঅফ একদম নেই বললেই চলে। কম্পিউটারবেস হ্যাকিং শোঅফ নেই কারনটা হতে পারে যে তারা হয়ত বুজে না যে কিভাবে কম্পিউটারবেস হ্যাকিং এর শোঅফ করবে। ডিফেসিং ওয়েববেস এর সব না এটা এখন প্রায় সবাই জানে কারন একটি সাইট ডিফেস দেওয়া ছাড়াও আরোও অনেক কিছুই করা যায়। ওয়েববেস থেকে যদি আমরা কম্পিউটারবেস হ্যাকিং এ সবাইকে আগ্রহী করতে চাই তাহলে কম্পিউটারবেস হ্যাকিং এর শোঅফ করতে হবে।

কম্পিউটারবেস হ্যাকিং এর শোঅফ যেভাবে করবেনঃ

আমরা ওয়েববেস হ্যাকিং এ ডিফেসিং করার পর প্রমাণ হিসেবে মিরর করি ঠিক তেমনি এখন কম্পিউটারবেস হ্যাকিং করার পরেও তো প্রমাণ রাখতে হবে। প্রমাণ রাখার জন্য ভিডিও করে তা শোঅফ করতে হবে। তাই যা করতে হবে তা হচ্ছে ভিডিওতে যেই কম্পিউটারে আপনি এক্সেস পাইছেন তার এমন কিছু শো করতে হবে যা দিয়ে সবাই বুজবে যে আপনি আসলেই হ্যাক করতে পারছেন। অর্থাৎ আপনি ভিডিওতে যেই কম্পিউটারে এক্সেস পাইছেন (যে কোন পদ্ধতিতে) সেই কম্পিউটারের আইপি এড্রেস বা এমন কিছু শো করবেন যা সব পিসিরই আলাদা আলাদা (তাই বলে আলাদা আলাদা ডেস্কটপ লুক দেখাইয়েন না)। ভিডিও করার পর তা কোন আপলোড এর সাইটে আপলোড করে দিবেন তারপর সেই লিংকটা শোঅফ করবেন।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে যে যদি কেউ নিজের পিসিরেই আইপি এড্রেস দিয়ে ভিডিও করে ছেড়ে দেয় ল্যামিং করে তখন? ল্যামিং ছিল,আছে,থাকবে। তাই ভিডিওতে এমন কিছু শো করতে হবে যা প্রতি পিসির আলাদা।

হ্যাপি শোঅফিং

আপনি যদি প্রশ্ন করেন যে ভাই ওয়েববেস হ্যাকিংই ভালোভাবে পারি না আর কম্পিউটার হ্যাকিং। উওরে বলতে চাই ভাই আপনি কি করবেন আর না করবেন তা আপনার ব্যাপার ওয়েববেস ছাড়াও যে আরোও অনেক হ্যাকিং আছে এবং কেউ যদি ওয়েববেস ছেড়ে এডভান্স কিছু করতে চায় তাইলে তার কম্পিউটার বেস হ্যাকিং করা উচিৎ আমি শুধু এই বিষয়টা শেয়ার করলাম। আপনার যদি কম্পিউটার বেস হ্যাকিং শিখার আগ্রহ থাকে তাহলে কম্পিউটার বেস হ্যাকিংয়ের বিষয়গুলো গুগল করে শিখুন।

ভুলে ভরা ভুবন। ভুল করলে ক্ষমা করবেন এবং কি ভুল করেছি জানাবেন।

আমার ফেসবুক আইডি

mobile.facebook.com/100009039018516

টিউনার সৌশল মিডিয়া
Ads by Techtunes - tAds
টিউমেন্টস টিউমেন্ট গুলো

You must be logged in to post a Tumment.