Quantcast

সঠিক পরিচর্যাতেই বিকশিত হতে পারে শিশুর মেধা!!!

0 টিউমেন্টস 637 দেখা প্রিয়
স্পন্সরড টিউন

এটি একটি Sponsored টিউন। এই Sponsored টিউনটির নিবেদন করছে 'Onnorokom Electronics'
Sponsored টিউন by Techtunes tAds | টেকটিউনস এ বিজ্ঞাপন দিতে ক্লিক করুন এখানে

পাশের বাড়ির ছেলেটা এবারও ফার্স্ট হয়েছে, অথবা অমুক ভাবীর মেয়েটা কত সুন্দর ছবি আঁকতে পারে; শুধু আমার সন্তানই পিছিয়ে আছে! আমাদের বেশিরভাগ বাবা-মা এরকম ভাবনা থেকে করছেন নানান দুশ্চিন্তা। আর তা থেকে তৈরি হচ্ছে ছেলে মেয়েদের নিয়ে হতাশা।

একটি শিশু জন্ম থেকেই মেধাবী। কিন্তু তার মেধার পরিমাপটা কীভাবে হবে? শুধুমাত্র স্কুলে ভালো রেজাল্ট করলেই কি মেধা নির্ণিত হয়?

জীবতত্ত্ব থেকে জানা যায়, একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের মস্তিষ্কের ওজন তিন পাউন্ড, এবং সংরক্ষণ করার ক্ষমতা 2.5 petabytes এর কাছাকাছি। সব শিশুই প্রায় সমান ক্ষমতার মস্তিষ্ক নিয়ে জন্ম নেয়। একইভাবে শুরু হয় কথা বলা, হাঁটতে শেখা। সব শিশুর আছে একই রকম সম্ভাবনা। Inpapermagazine এর একটি লেখায় বলা হয় মেধা সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।

মেধাবী হয়ে কেউ জন্মায় না, এটা তৈরি করতে হয়। ৭৫-৮৫% সাধারণ বুদ্ধিমত্তা জিনগত ভাবেই নির্ধারিত হয়। আর বাকিটা হলো বিকাশ প্রক্রিয়া। মেধা বিকাশ করতে চাই শিশুর জন্যে উপযুক্ত পরিবেশ।

২০১২ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে সব শিশুরা তিন বছর বয়স পর্যন্ত নিয়মিত শারীরিক শাস্তি ভোগ করে, তারা আক্রমনাত্মক চরিত্রের হয়ে থাকে। শিশুকে অন্যের সাথে তুলনা করে হেয় করা, কিংবা তাকে এড়িয়ে চলা, তার কথার জবাব না দেয়া, এগুলো মানসিক শাস্তির মধ্যে পড়ে, যার ফলে মস্তিষ্কের ওপর ভীষণ চাপ সৃষ্টি হয়।

“সামনে পরীক্ষা, এখন খেলতে যাওয়া চলবে না” এমন মনোভাব শিশুর মেধা বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। তবে বাংলাদেশের প্রথম সায়েন্স কিট “অন্যরকম বিজ্ঞানবাক্স” যাদের কাছে আছে, তারা নিশ্চিতভাবেই এমন চিন্তা করেন না। কারণ তারা জানেন শিশুদের মন অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি বহুমাত্রিক।

তাই শুধুমাত্র একদিকে তার মন নিবদ্ধ করতে গেলে হিতে বিপরীত হবার সম্ভাবনা প্রবল। পরীক্ষার সময় অবশ্যই পড়ালেখায় বেশি সময় দিতে হবে। কিন্তু তাই বলে তার বিনোদনের পথ রুদ্ধ করে দিলে ভবিষ্যৎ জীবনে সে নানারকম প্রতিকূল পরিবেশের মুখোমুখি হতে পারে। সেটা কেমন? ধরুন একটি শিশু শিক্ষাজীবনে শুধু চোখ-মুখ বন্ধ করে বই পড়েছে আর ভালো রেজাল্ট করেছে।

সেটা সেই সময়ের জন্যে যথেষ্ট। কিন্তু কর্মজীবনে তাকে মুখোমুখি হতে হবে নানারকম বিচিত্র এবং নতুন পরিস্থিতির। দলবদ্ধভাবে কাজ করা, নেতৃত্ব দেয়া, মানব ব্যবস্থাপনা, জরুরী মুহূর্তে Out of the box চিন্তা; এগুলো কিন্তু পড়ার বই থেকে আসে না। শুধুমাত্র পড়ার বইয়ে তার পুরো সময়টা না দিয়ে তাকে অন্যান্য সৃষ্টিশীল কাজে নিয়োজিত করলে বৃদ্ধি পাবে তার চিন্তা করার ক্ষমতা, বাড়বে আত্মবিশ্বাস।

মূল্য দিন তার আগ্রহকে, সুন্দর করুন অবসর। তাকে শেখান কাগজের শিল্প বা অরিগামি, ট্যানগ্রামের বিভিন্ন রকম ডিজাইনের জাদুতে মশগুল হতে দিন, অথবা তাকে দিন সায়েন্স কিট, যেমন অন্যরকম বিজ্ঞানবাক্সআলো, চুম্বক, তড়িৎ, রসায়নের নানা পরীক্ষায় মেতে থেকে সে আবিষ্কার করুক তার অন্তর্গত প্রতিভা।

সন্তানের সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারেন আপনি নিজেই, তাকে যেতে দিন আপন ভাল লাগার পথে।

আরো জানতে চাইলে লাইক দিন ফেসবুক পেইজে
http://www.facebook.com/OnnoRokomBigganBaksho

বিজ্ঞানবাক্স কিনতে এখনই ভিজিট করুন

➡ বিজ্ঞানবাক্স কিনতে ভিজিট করুন রকমারি ডট কম  কিংবা

যেকোনো মোবাইল থেকে ডায়াল করুন বিজ্ঞানবাক্স কিনুন

➡ যেকোনো মোবাইল থেকে ডায়াল করুন 16297

এটি একটি Sponsored টিউন। এই Sponsored টিউনটির নিবেদন করছে 'Onnorokom Electronics'
Sponsored টিউন by Techtunes tAds | টেকটিউনস এ বিজ্ঞাপন দিতে ক্লিক করুন এখানে

টিউনার সৌশল মিডিয়া
Ads by Techtunes - tAds
টিউমেন্টস টিউমেন্ট গুলো

You must be logged in to post a Tumment.